সিনিয়র রিপোর্টার
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামীপন্থি ৬১ জন আইনজীবীর হাইকোর্ট থেকে পাওয়া জামিন স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টকে দুই সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
সোমবার (১৯ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। শুনানিকালে আসামিপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এম কে রহমান ও মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া।
এর আগে, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল হাইকোর্টে একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে ৬১ জন আইনজীবীকে জামিন দেন আদালত। কিন্তু পরে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে, ২৯ এপ্রিল আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক তাদের জামিন ৫ মে পর্যন্ত স্থগিত করেন এবং বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আপিল বিভাগ জামিন স্থগিতই রাখার সিদ্ধান্ত দেন এবং সংশ্লিষ্ট রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের ওপর হামলা, চেম্বার ভাঙচুর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আওয়ামী লীগপন্থি ১৪৪ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে, ১১৫ জন উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন নেন।
জামিনের মেয়াদ শেষে গত ৬ এপ্রিল ওই ১১৫ জনের মধ্যে ৮৩ জন আইনজীবী মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ সাগরসহ ১৮ নারী আইনজীবীকে জামিন দেন। তবে তিনজন আত্মসমর্পণ না করায় এবং জামিন না মঞ্জুর হওয়ায় বাকি ৬১ জন আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতের সর্বশেষ আদেশ অনুযায়ী, এই ৬১ জন আইনজীবী আপাতত কারাগারেই থাকবেন এবং হাইকোর্টে তাদের জামিন প্রশ্নে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন আদেশ স্থগিত থাকবে।

ডেস্ক : 


























প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দেশে ফেরা অনাকাঙ্ক্ষিত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী