ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগামী ২০ এপ্রিল এসএসসির গণিত পরীক্ষা পেছাল

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • 92
30

অনলাইন ডেস্ক  :খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইস্টার সানডে আগামী ২০ এপ্রিল। ওই দিন এসএসসির গণিত পরীক্ষার হওয়ার কথা ছিল। তবে সেই পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ‌

নতুন সূচি অনুযায়ী, এসএসসির গণিত পরীক্ষা এক দিন পিছিয়ে ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। রুটিন অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ৮ মে। ১০ মে থেকে শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

জানা গেছে, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসছে ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষার্থী দুই লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ এবং কারিগরি বোর্ডে এক লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গাড়িচাপায় যুবককে ‘হত্যার’ ঘটনায় সাবেক ‍যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ জন

আগামী ২০ এপ্রিল এসএসসির গণিত পরীক্ষা পেছাল

আপডেট সময় ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
30

অনলাইন ডেস্ক  :খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইস্টার সানডে আগামী ২০ এপ্রিল। ওই দিন এসএসসির গণিত পরীক্ষার হওয়ার কথা ছিল। তবে সেই পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ‌

নতুন সূচি অনুযায়ী, এসএসসির গণিত পরীক্ষা এক দিন পিছিয়ে ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। রুটিন অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ৮ মে। ১০ মে থেকে শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

জানা গেছে, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসছে ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষার্থী দুই লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ এবং কারিগরি বোর্ডে এক লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।