অনলাইন ডেস্ক : বেসরকারী উন্নয়নমুলক সংস্থা ”নাইস ফাউন্ডেশন ” আসন্ন ১৩তম জাতীয় নির্বাচনে খুলনার সকল সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীগন বরাবর নির্বাচনী ইশতেহারে জনগনের দাবীর প্রেক্ষিতে কিছু সুপারিশমালা অন্তরর্ভুক্তি ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য তুলে ধরেছে যা হুবহু প্রচার করা হল: আমরা গভীর উদ্বেগ, দায়বদ্ধতা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধ থেকে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিম্মলিখিত সমসাময়িক ও উপকুল এলাকার জনগনের সার্থ সুরক্ষার্তে ৪টি বিষয় আবশ্যিকভাবে আপনার নির্বাচনী ইশতেহারে অর্šÍভুক্তিকরনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল।
১. বাংলাদেশে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, সাইবার সহিংসতা, যৌন নিপীড়ন এবং মৌলবাদী সামাজিক নিয়ন্ত্রণ আজ বাংলাদেশে নারীদের দৈনন্দিন জীবনকে ক্রমাগত সংকুচিত ও অনিরাপদ করে তুলেছে। নারী ও কন্যাশিশুরা আজ আর কোথাও নিরাপদ নয়Ñঘরের ভেতরে, রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিংবা ডিজিটাল পরিসরে। সহিংসতার ধরন ও মাধ্যম পরিবর্তিত হলেও এর ঝুঁকি সর্বত্র বিস্তৃত এবং প্রতিনিয়ত গভীরতর হচ্ছে। নিয়মিত ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা, সাইবার হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল, বাল্যবিবাহ, পারিবারিক সহিংসতা এবং ধর্মীয় বা সামাজিক নিয়ন্ত্রণের নামে নারীর চলাচল, পোশাক ও মতপ্রকাশের ওপর বিধিনিষেধÑএই সকল বাস্তবতা প্রমাণ করে যে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক সমস্যা নয়। বরং এটি একটি কাঠামোগত সংকট, যা নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রশ্নে রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার বাস্তবায়নে গভীর সীমাবদ্ধতাকে উন্মোচিত করে।
দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি, মামলা গ্রহণ ও তদন্তে গাফিলতি, দুর্বল ও পক্ষপাতদুষ্ট আইন প্রয়োগ, রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি এবং নারীর প্রতি সহিংসতাকে সামাজিকভাবে স্বাভাবিক বা তুচ্ছ করে দেখার প্রবণতা এই সংকটকে আরও গভীর ও ভয়াবহ করে তুলেছে। অপরাধীরা নিয়মিতভাবে দায়মুক্তি পাওয়ায় সহিংসতা বারবার পুনরাবৃত্ত হচ্ছে, আর নারীরা ক্রমাগত ভয়, নীরবতা ও চরম নিরাপত্তাহীনতার বাস্তবতায় বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে। এই বাস্তবতায় দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করা প্রয়োজনÑনারীর নিরাপত্তা কোনো করুণা, অনুগ্রহ বা প্রকল্পভিত্তিক সদিচ্ছার বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের সংবিধানে স্বীকৃত একটি মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের ওপর অর্পিত এক অনিবার্য রাজনৈতিক, আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। নারীর নিরাপত্তা ও সমঅধিকার নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র অর্থহীন হয়ে পড়ে , আর নারীকে বাদ দিয়ে কোনো উন্নয়ন কখনোই ন্যায়সঙ্গত, টেকসই বা মানবিক হতে পারে না।
এই প্রেক্ষাপটে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা নির্ধারণের একটি প্রক্রিয়া নয়; এটি নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার প্রশ্নে রাষ্ট্রের নৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাই আমরা জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছিÑনারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে স্পষ্ট, লিখিত, সময়সীমাবদ্ধ এবং বাস্তবায়নযোগ্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার আগামী জাতীয় নির্বাচনী ইশতেহারে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
২. বাংলাদেশের সংবিধানে ঘোষিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও লিঙ্গসমতার নীতির আলোকে হিন্দু নারী বাংলাদেশের পূর্ণ নাগরিক, যাদের অধিকার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সীমিত বা খর্ব করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অথচ প্রচলিত উত্তরাধিকার ব্যবস্থার কারণে হিন্দু নারীরা আজও পৈতৃক ও বৈবাহিক সম্পত্তিতে অধিকার থেকে বঞ্চিত, যা তাদের অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ঠেলে দিচ্ছে। এই বৈষম্য হিন্দু নারীর দারিদ্র্য, সহিংসতা ও বঞ্চনার ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সংবিধান প্রদত্ত সমানাধিকারের পরিপন্থী। তাই হিন্দু নারীর পিতা-মাতা ও স্বামীর সম্পত্তিতে নিরঙ্কুশ উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের একটি অনিবার্য সাংবিধানিক দায়। হিন্দু উত্তরাধিকার আইন সংস্কার ছাড়া নারীর প্রকৃত অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সহিংসতা থেকে মুক্ত জীবন এবং টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
৩. বাংলাদেশের উপকূলীয় ও প্রান্তিক অঞ্চলে নিরাপদ পানির সংকট আজ আর কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়Ñএটি একটি গভীর মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের সংকট। লবণাক্ততার আগ্রাসী বিস্তার, শিল্প ও কৃষিজ বর্জ্যের অবাধ নিঃসরণ, নদী–খাল–জলাশয়ের দখল ও দূষণ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে লাখো মানুষ প্রতিদিন তাদের মৌলিক জীবনধারণের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সংকটের সবচেয়ে কঠিন ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বহন করছে নারী, কন্যাশিশু, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। উপকূলীয় এলাকায় নারীদের প্রতিদিন কয়েক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে পানি সংগ্রহ করতে হয়, যা তাদের সময়, শ্রম ও নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত হানে। নিরাপদ পানির অভাবে তারা লবণাক্ত ও দূষিত পানি ব্যবহারে বাধ্য হয়, ফলে চর্মরোগ, গর্ভকালীন জটিলতা, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা এবং নানা পানিবাহিত রোগ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাস্তবতা নারীদের শিক্ষা, আয়ের সুযোগ ও সামাজিক অংশগ্রহণ সীমিত করছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রতি লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে নিরাপদ পানির অধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে বিদ্যমান পানি সুরক্ষা আইন ও নীতিমালার দুর্বল ও পক্ষপাতদুষ্ট বাস্তবায়ন, দায়মুক্তির সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক স্বার্থের দৌরাত্ম্যে জনগণের এই অধিকার ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। পানি দূষণের জন্য দায়ী শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অবৈধ দখলদার ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্বহীনতারই প্রতিফলন। এই প্রেক্ষাপটে ৩য় পানি সম্মেলনের আলোচনার আলোকে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট নিরাপদ পানি কোনো অনুগ্রহ বা উন্নয়ন প্রকল্পের দান নয়; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক, আইনগত ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা। পানি সুরক্ষা আইন ও নীতিমালার কঠোর বাস্তবায়ন, দূষণকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ এবং নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নেতৃত্ব ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত না করলে টেকসই, ন্যায়ভিত্তিক ও জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনা কখনোই সম্ভব নয়।
৪. বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার আর ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নয়; এটি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকট। তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটছে, যেখানে নারী ও শিশুরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, গর্ভকালীন নিরাপত্তা এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জনসমাগমস্থল, কর্মক্ষেত্র, পরিবহন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধূমপান চলমান থাকায় নারী ও শিশুরা অনিচ্ছাকৃত ধূমপানের শিকার হচ্ছে। বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন থাকা সত্ত্বেও দুর্বল প্রয়োগ, তদারকির ঘাটতি এবং তামাক কোম্পানির প্রভাবের কারণে আইনটির কার্যকারিতা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সংবিধানপ্রদত্ত স্বাস্থ্য অধিকার বাস্তবে নিশ্চিত হচ্ছে না। এই বাস্তবতায় স্পষ্ট, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, কর্পোরেট প্রভাবমুক্ত নীতি গ্রহণ এবং কার্যকর নজরদারি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া নারী, শিশু ও জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
উপরোক্ত সংকটগুলো এককভাবে দেখার সুযোগ নেই। এগুলো রাষ্ট্রীয় নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের ঘাটতি, পর্যাপ্ত রাজনৈতিক মনোযোগের অভাব এবং জবাবদিহি কাঠামোর সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দেয়। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বিত ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
নারীর নিরাপত্তা, সমঅধিকার, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ, সুরক্ষা কোনো সুবিধা প্রদানের বিষয় নয়; এটি সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত অধিকার এবং রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি যে, নিম্নোক্ত সুপারিশসমুহ আপনার এবং আপনার দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রস্তাবিত সুপারিশ
১. নারী ও শিশু সুরক্ষায় মূল দাবিসমূহ
ক্স নারী, শিশু ও লিঙ্গবৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
ক্স ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন ও নারী নির্যাতনের মামলার দ্রুত ও প্রভাবমুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল অধিক কার্যকর করতে হবে।
ক্স নারী উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়ন ও সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
২. হিন্দু নারীর উত্তরাধিকার নিশ্চিতকরণ
ক্স বাংলাদেশের সংবিধানে ঘোষিত সাম্য, মানবাধিকার ও লিঙ্গসমতার আলোকে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নারী নাগরিককে তার সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা সংবিধান বিরোধী। সে প্রেক্ষিতে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন সংস্কার করে পিতা-মাতা ও স্বামীর সম্পত্তিতে হিন্দু নারী ও কন্যা সন্তানের নিরঙ্কুশ উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
ক্স সংবিধানের ২৬, ২৮ ও ১৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী সকল বৈষম্যমূলক প্রথাগত আইন বাতিল করে সংবিধানসম্মত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
৩. পানি সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন ও নিরাপদ পানির অধিকার নিশ্চিতকরণ
৩য় উপকূলীয় পানি সম্মেলনের ঘোষিত লক্ষ্য ও আলোচনার আলোকে আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই , নিরাপদ পানি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার।
ক্স নিরাপদ পানির অধিকার নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পানি সুরক্ষা আইন ও নীতিমালা কঠোর ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং পানিদূষণ রোধে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
ক্স শিল্প ও কৃষিজ বর্জ্য, লবণাক্ততা, নদী দখল এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীÑবিশেষ করে নারী, কন্যাশিশু ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির টেকসই নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
ক্স জলবায়ু সহনশীল, মানবাধিকারভিত্তিক ও নারীবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত ও পৃথক বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পানি সংকট থেকে উদ্ভূত স্বাস্থ্যঝুঁকি, দারিদ্র্য ও সহিংসতা হ্রাস পায়।
৪. তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণ
ক্স জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পূর্ণ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। ধূমপান ও তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার হ্রাসে সচেতনতা ও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
ক্স নারী, শিশু ও নিম্ম আয়ের জনগোষ্ঠীকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় তামাক কোম্পানির প্রভাব ও প্রচার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
আসন্ন ১৩তম জাতীয় নির্বাচন কেবল নেতৃত্বের লড়াই নয়, এটি নারীর নিরাপত্তা, সমঅধিকার, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে রাষ্ট্রের নৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণের নির্বাচন। আমরা আশা করি, আপনি এই রাজনৈতিক অঙ্গীকারগুলো নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্ট, লিখিত ও বাস্তবায়নযোগ্যভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন, যাতে প্রতিটি নারী, শিশু ও লিঙ্গবৈচিত্র্যময় নাগরিক নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সমঅধিকারভিত্তিক জীবন যাপন করতে পারে। নিশ্চিত করুন নারী নিরাপদ হলে, বাংলাদেশ নিরাপদ।

ডেস্ক : 


























যানবাহনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার