ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উদ্দীপনের প্রশাসক নূরুল ইসলামের এলাহী কান্ড বিপর্যের মুখে বেসরকারি সংস্থা উদ্দীপন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • 162
35
অনলাইন ডেস্ক  : 

প্রথম ৯০ দিনের কার্যকালের তার ওপর অর্পিত ৪টি দায়িত্বের কোনটিই তিনি প্রতিপালন করেননি। আর সংস্থাটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদ্দীপনের প্রশাসক হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এইচএম নূরুল ইসলামকে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রন শাখা গত ২৮ নভেম্বর ২০২৪ এক অফিস আদেশে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে প্রধানত ৪টি শর্তসাপেÿে। শর্তগুলোতে প্রশাসকের কর্মপরিধি নির্ধারণ করে দেয়া হয়। তার মূখ্য দায়িত্বের মধ্যে ছিল সর্বশেষ নির্ধারিত কার্যনিবার্হী কমিটির কাছে থেকে সরাসরি দায়িত্বভার গ্রহণ, স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৬১ বিধিমালা ১৯৬২ এবং সংস্থার অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের আলোকে বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের মধ্যে সংস্থার কার্যনিবাহী কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্নকরণ এবং নির্বাচন ও অন্য আনুষ্ঠানিকতা বিধি মোতাবেক সম্ভব্য দ্রæততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন কার্যনিবাহী কমিটির কাছে দায়িত্বভার হ¯Íান্তর। এর কোনটিই নূরুল ইসলাম করেননি। বিধি বহির্ভূতভাবে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বরখা¯Íসহ তহবিল তছরুপ করেছেন। ফলে সংস্থাটির কার্যক্রম একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে তার মেয়াদ ৩ দফা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাবেক সচিব নূরুল ইসলামকে বেসরকারি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা উদ্দীপনের জন্য নিয়োগকৃত প্রশাসকের কর্ম মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য সমাজ সেবা অধিদপ্তরের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ শাখা কর্তৃক তার কর্মকালের মেয়াদ বৃদ্ধিও কারণে সংস্থাটির একেবারে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। পাশাপাশি সরকারবিরোধী গোষ্ঠীর কার্য সুরÿা হবে। জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি দপ্তরের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী নূরুল ইসলামকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির অতিরিক্ত দায়িত্ব বৃদ্ধি করে নতুন কোন ষড়যন্ত্রের উস্কানি কিনা।

নির্ভর যোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী নূরুল ইসলাম তার কর্মজীবন কাটিয়েছেন সূ² ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। তার কর্মস্থলে নিজের সুবিধা মতো দায়িত্ব পেতে সুকৌশলে উর্ধ্বতনদের বশীভূত করে স্থায়ী হয়েছেন। তিনি তদবির করে নিজের পছন্দের জায়গায় প্রাষ্টিং নিতেন। সুবিধাভোগী এই কর্মকর্তাকে ২০০৪ সালের ৩ জুন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। কিন্তু উচ্চ আদালতের তার বিরুদ্ধে সরকারের দেয়া অবসরের আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ২ বিচারপতির আদালত। চাকরি ফিরে পেয়ে দৈনিক প্রথম আলোতে এক সাÿাৎকারে তিনি বলেন দ্বিতীয় মেয়াদে বেপরোয়া হন। এই সাÿাৎকার যখন তিনি দেন তখন অবসরে চলে গেছেন এবং সুকৌশলে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ষড়ষন্ত্র করতে থাকেন। নূরুল ইসলাম বর্তমানে ড: ইউনুস সরকারের অধীনে জ¦ালানি মন্ত্রণালায়ের গ্যাস ট্রান্সমিশন কোং লি: এর (জিটিসিএল) চেয়ারম্যান ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদ্দীপনের প্রশাসক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবারও তদবির করে এক্সটেশন করে নিয়েছেন। এই সংস্থায় দায়িত্ব পর ষড়ষন্ত্র ÿমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মধ্যেমে এর কর্মকান্ডেতে খাদে নিয়ে গেছেন অথচ ষড়ষন্ত্রকারী এই এনআই ইসলাম অভিষিক্ত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত এন আই খান এবং বর্তমানে এনআই খান লন্ডনে বসে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়ষন্ত্র করছেন বলেও জানা গেছে। দুই ষড়ষন্ত্রকারী ধারাবাহিক ষড়ষন্ত্রের কারণে উদ্দীপন ডুবতে বসেছে বলে এর সাথে সংশিøষ্ট অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এদিকে দ্রæত উদ্দীপনের নির্বাচন আয়োজন করতে হাইকোর্টে একটি রীট আবেদন করা হয়েছে। তিনি উদ্দেশ্য প্রণেদিতভাবে ১৫ জন পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এবং মামলায় সংশিøষ্ট আলামত গুলো বিক্রয় করেছেন যা ফৌজধারী অপরাধের সামিল।

 

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আজ থেকে ১৯ মার্চের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

উদ্দীপনের প্রশাসক নূরুল ইসলামের এলাহী কান্ড বিপর্যের মুখে বেসরকারি সংস্থা উদ্দীপন

আপডেট সময় ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
35
অনলাইন ডেস্ক  : 

প্রথম ৯০ দিনের কার্যকালের তার ওপর অর্পিত ৪টি দায়িত্বের কোনটিই তিনি প্রতিপালন করেননি। আর সংস্থাটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদ্দীপনের প্রশাসক হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এইচএম নূরুল ইসলামকে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রন শাখা গত ২৮ নভেম্বর ২০২৪ এক অফিস আদেশে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে প্রধানত ৪টি শর্তসাপেÿে। শর্তগুলোতে প্রশাসকের কর্মপরিধি নির্ধারণ করে দেয়া হয়। তার মূখ্য দায়িত্বের মধ্যে ছিল সর্বশেষ নির্ধারিত কার্যনিবার্হী কমিটির কাছে থেকে সরাসরি দায়িত্বভার গ্রহণ, স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৬১ বিধিমালা ১৯৬২ এবং সংস্থার অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের আলোকে বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের মধ্যে সংস্থার কার্যনিবাহী কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্নকরণ এবং নির্বাচন ও অন্য আনুষ্ঠানিকতা বিধি মোতাবেক সম্ভব্য দ্রæততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন কার্যনিবাহী কমিটির কাছে দায়িত্বভার হ¯Íান্তর। এর কোনটিই নূরুল ইসলাম করেননি। বিধি বহির্ভূতভাবে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বরখা¯Íসহ তহবিল তছরুপ করেছেন। ফলে সংস্থাটির কার্যক্রম একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে তার মেয়াদ ৩ দফা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাবেক সচিব নূরুল ইসলামকে বেসরকারি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা উদ্দীপনের জন্য নিয়োগকৃত প্রশাসকের কর্ম মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য সমাজ সেবা অধিদপ্তরের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ শাখা কর্তৃক তার কর্মকালের মেয়াদ বৃদ্ধিও কারণে সংস্থাটির একেবারে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। পাশাপাশি সরকারবিরোধী গোষ্ঠীর কার্য সুরÿা হবে। জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি দপ্তরের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী নূরুল ইসলামকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির অতিরিক্ত দায়িত্ব বৃদ্ধি করে নতুন কোন ষড়যন্ত্রের উস্কানি কিনা।

নির্ভর যোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী নূরুল ইসলাম তার কর্মজীবন কাটিয়েছেন সূ² ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। তার কর্মস্থলে নিজের সুবিধা মতো দায়িত্ব পেতে সুকৌশলে উর্ধ্বতনদের বশীভূত করে স্থায়ী হয়েছেন। তিনি তদবির করে নিজের পছন্দের জায়গায় প্রাষ্টিং নিতেন। সুবিধাভোগী এই কর্মকর্তাকে ২০০৪ সালের ৩ জুন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। কিন্তু উচ্চ আদালতের তার বিরুদ্ধে সরকারের দেয়া অবসরের আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ২ বিচারপতির আদালত। চাকরি ফিরে পেয়ে দৈনিক প্রথম আলোতে এক সাÿাৎকারে তিনি বলেন দ্বিতীয় মেয়াদে বেপরোয়া হন। এই সাÿাৎকার যখন তিনি দেন তখন অবসরে চলে গেছেন এবং সুকৌশলে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ষড়ষন্ত্র করতে থাকেন। নূরুল ইসলাম বর্তমানে ড: ইউনুস সরকারের অধীনে জ¦ালানি মন্ত্রণালায়ের গ্যাস ট্রান্সমিশন কোং লি: এর (জিটিসিএল) চেয়ারম্যান ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদ্দীপনের প্রশাসক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবারও তদবির করে এক্সটেশন করে নিয়েছেন। এই সংস্থায় দায়িত্ব পর ষড়ষন্ত্র ÿমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মধ্যেমে এর কর্মকান্ডেতে খাদে নিয়ে গেছেন অথচ ষড়ষন্ত্রকারী এই এনআই ইসলাম অভিষিক্ত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত এন আই খান এবং বর্তমানে এনআই খান লন্ডনে বসে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়ষন্ত্র করছেন বলেও জানা গেছে। দুই ষড়ষন্ত্রকারী ধারাবাহিক ষড়ষন্ত্রের কারণে উদ্দীপন ডুবতে বসেছে বলে এর সাথে সংশিøষ্ট অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এদিকে দ্রæত উদ্দীপনের নির্বাচন আয়োজন করতে হাইকোর্টে একটি রীট আবেদন করা হয়েছে। তিনি উদ্দেশ্য প্রণেদিতভাবে ১৫ জন পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এবং মামলায় সংশিøষ্ট আলামত গুলো বিক্রয় করেছেন যা ফৌজধারী অপরাধের সামিল।