খুলনায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত বিএনপি নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন
অনলাইন ডেস্ক : খুলনায় গুলির পর কুপিয়ে জখম করা বিএনপি নেতা আমির হোসেন মোল্লা মারা গেছেন। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আমির হোসেন মোল্লা খুলনা মহানগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব ও খুলনা মৎস্য বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি। মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবার নিশ্চিত করেছেন। নিহতের ভাইয়ের ছেলে সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুল বলেন, অবস্থার অবনতি হলে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে লাইফ সাপোর্টে নেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান। খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির উল গিয়াস বলেন, মৃত্যুর সংবাদ জেনে তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার সুরতহাল রিপোর্ট চলছে। মঙ্গলবার রাতে তার ছোটভাই মো. আব্দুল্লাহ খুলনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখিত আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গত ২৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়ায় সন্ত্রাসীরা আমির হোসেন মোল্লাকে গুলি করার পর কুপিয়ে জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
16
অনলাইনডেস্ক : খুলনায় গুলির পর কুপিয়ে জখম করা বিএনপি নেতা আমির হোসেন মোল্লা মারা গেছেন। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আমির হোসেন মোল্লা খুলনা মহানগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব ও খুলনা মৎস্য বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি। মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবার নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের ভাইয়ের ছেলে সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুল বলেন, অবস্থার অবনতি হলে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে লাইফ সাপোর্টে নেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির উল গিয়াস বলেন, মৃত্যুর সংবাদ জেনে তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার সুরতহাল রিপোর্ট চলছে। মঙ্গলবার রাতে তার ছোটভাই মো. আব্দুল্লাহ খুলনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখিত আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
গত ২৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়ায় সন্ত্রাসীরা আমির হোসেন মোল্লাকে গুলি করার পর কুপিয়ে জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।