ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • 89
33

সিনিয়র রিপোর্টার

গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মোগরখাল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ সীমা আক্তার (৩০) মারা গেছেন। তিনি গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল এইচডিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে সীমা নামে এক নারী আজ সকাল সোয়া ৯টায় এইচডিওতে মারা যান। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। 

এ ছাড়া পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তানজিলার শরীরের ৯০ শতাংশ, তাসলিমার শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং শিশু আয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে তাসলিমা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

মৃত সীমার স্বামী মো. আলহাজ জানান, আমি এবং আমার স্ত্রী সীমা দুজনেই গার্মেন্টস কর্মী। রবিবার সন্ধ্যার দিকে পাশের বাড়িতে রান্নার কাজ চলছিল। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার স্ত্রী ও এক শিশুসহ পাঁচজন শরীরে দগ্ধ হন।

প্রথমে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে আমার স্ত্রী এইচডিইউতে মারা যান।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
33

সিনিয়র রিপোর্টার

গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মোগরখাল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ সীমা আক্তার (৩০) মারা গেছেন। তিনি গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল এইচডিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে সীমা নামে এক নারী আজ সকাল সোয়া ৯টায় এইচডিওতে মারা যান। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। 

এ ছাড়া পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তানজিলার শরীরের ৯০ শতাংশ, তাসলিমার শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং শিশু আয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে তাসলিমা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

মৃত সীমার স্বামী মো. আলহাজ জানান, আমি এবং আমার স্ত্রী সীমা দুজনেই গার্মেন্টস কর্মী। রবিবার সন্ধ্যার দিকে পাশের বাড়িতে রান্নার কাজ চলছিল। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার স্ত্রী ও এক শিশুসহ পাঁচজন শরীরে দগ্ধ হন।

প্রথমে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে আমার স্ত্রী এইচডিইউতে মারা যান।