জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন : সরকারি কর্মচারী আইন প্রণয়নসহ বেশ কিছু নীতিমালা প্রণীত হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক : কর্মকর্তাদের উপযুক্ত স্থলে পদায়ন করতে না পারার ঘটনায় প্রশাসনের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। এই বাস্তবতায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়ভিত্তিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদসংখ্যা নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী পদোন্নতি প্রদান এবং পদায়ন করার সুযোগ তৈরি এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে ক্রমাগতভাবে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর অধিদপ্তর, সংস্থা ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রয়োজনীয়তা নিরিখে বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী জনবলও বেড়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের বর্ধিত জনবলের নির্ধারিত পদসংখ্যা বাড়ানো হয়নি বা অর্গানোগ্রাম করা হয়নি। ফলে পদের অতিরিক্ত সংখ্যার পদোন্নতি এবং পদোন্নতিপ্রাপ্তদের যথাযথ পদায়ন সম্ভব হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পদোন্নতি পাবার পরও দেখা যায় পদোন্নতিপূর্ব পদে (ইনসিটু) পদায়ন করা হয়। জনপ্রশাসনের বাইরেও পুলিশ প্রশাসনসহ একাধিক সংস্থায় একই পরিস্থিতি বিরাজমান। সর্বশেষ পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১২ জন কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলেও তারা এখনো পূর্বপদে বহাল আছেন। আর জনপ্রশাসনে উপসচিবের পদে কাজ করছেন যুগ্মসচিব আর যুগ্মসচিবের পদে কাজ করছেন অতিরিক্ত সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিবের পদে কাজ করছেন উপসচিব। আর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গতকাল মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মিলিয়ে অতিরিক্ত সচিবের অনুমোদিত পদ আছে ১৪০টি। এই পদে কর্মরত আছেন ৩২২ জন কর্মকর্তা। যুগ্ম-সচিবের অনুমোদিত পদ ৩৩২টি। কর্মরত আছেন ৯১৯ জন। উপসচিব পদে...