আপডেট সময়
০৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
310
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা এজেন্ডায় সমর্থন অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতিসংঘের (ইউএন) মহাসচিবের শান্তিরক্ষা এজেন্ডার সাতটি অগ্রাধিকারের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের ঢাকার পক্ষে শান্তিরক্ষার অঙ্গীকার করেছেন। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) ঘানার আক্রায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের প্ল্যানারিতে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সেখানে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আব্দুল মোমেন বলেন, আমাদের নীতিগত অবস্থান, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বৈদেশিক নীতি-আদর্শের মধ্যে নিহিত, যা আমাদের একটি পথপ্রদর্শক শক্তি হিসাবে কাজ করে। এই অবস্থানটি ধারাবাহিকভাবে আমাদেরকে শান্তির সংস্কৃতির প্রচারসহ জাতিসংঘের শান্তি প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করে, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদান রাখা এবং শান্তি বিনির্মাণে সহায়তা করা। এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার হাঙ্গেরির সমকক্ষ পিটার সিজ্জার্তোর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সাইডলাইনে বৈঠক করেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
19
অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতিসংঘের (ইউএন) মহাসচিবের শান্তিরক্ষা এজেন্ডার সাতটি অগ্রাধিকারের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের ঢাকার পক্ষে শান্তিরক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) ঘানার আক্রায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের প্ল্যানারিতে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সেখানে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আব্দুল মোমেন বলেন, আমাদের নীতিগত অবস্থান, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বৈদেশিক নীতি-আদর্শের মধ্যে নিহিত, যা আমাদের একটি পথপ্রদর্শক শক্তি হিসাবে কাজ করে। এই অবস্থানটি ধারাবাহিকভাবে আমাদেরকে শান্তির সংস্কৃতির প্রচারসহ জাতিসংঘের শান্তি প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করে, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদান রাখা এবং শান্তি বিনির্মাণে সহায়তা করা।
এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার হাঙ্গেরির সমকক্ষ পিটার সিজ্জার্তোর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সাইডলাইনে বৈঠক করেন। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।