ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে ফের উত্তেজনা : অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 46
53

অনলাইন ডেস্ক  :   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের কয়েক ঘণ্টা পরও ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকেও হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়।

এ সময় শিবিরবিরোধী স্লোগান দিয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হাসপাতালের সামনে অবস্থান ও মহড়া দিতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে তারা হাসপাতালের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশের সড়কে অবস্থান নিলেও পরে পুলিশের অনুরোধে সেখান থেকে সরে যান। তবে কিছুক্ষণ পরপর ছোট ছোট মিছিল নিয়ে আবার হাসপাতালের সামনে এসে জড়ো হচ্ছিলেন তারা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নেয় এবং হাসপাতালের সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বজায় রাখে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে বিপ্লব, ইকবাল, সুদীপ, রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে সরকার

ঢাকা ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে ফের উত্তেজনা : অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

আপডেট সময় ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
53

অনলাইন ডেস্ক  :   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের কয়েক ঘণ্টা পরও ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকেও হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়।

এ সময় শিবিরবিরোধী স্লোগান দিয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হাসপাতালের সামনে অবস্থান ও মহড়া দিতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে তারা হাসপাতালের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশের সড়কে অবস্থান নিলেও পরে পুলিশের অনুরোধে সেখান থেকে সরে যান। তবে কিছুক্ষণ পরপর ছোট ছোট মিছিল নিয়ে আবার হাসপাতালের সামনে এসে জড়ো হচ্ছিলেন তারা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নেয় এবং হাসপাতালের সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বজায় রাখে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।