সিনিয়র রিপোর্টার
ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে টানা চারদিনের বিক্ষোভ শেষে নগরভবন ব্লকেড কর্মসূচি শুরু করেছেন আন্দোলনকারীরা। কর্মসূচির অংশ হিসেবে গুলিস্তানের প্রধান সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়েছে, ফলে ব্যস্ত এ এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ইশরাকপন্থি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নগরভবনের মূল ফটক এবং অন্যান্য বিভাগের গেটে তালা লাগিয়ে রেখেছেন। ফলে নগরভবনে প্রবেশ করা যাচ্ছে না এবং সব ধরনের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (১৯ মে) সকাল ১১টা থেকে গুলিস্তান মাজারের সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক আটকে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। এতে বংশাল ও পল্টনমুখী সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল এসে প্রথমে গুলিস্তান মাজারের সামনে এবং নগরভবনের সামনে জড়ো হয়। বিক্ষোভকারীরা ইশরাকের শপথ নিতে বিলম্বের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এ সময় তারা স্লোগান দেন- শপথ শপথ চাই, ইশরাক ভাইয়ের শপথ চাই। শপথ নিয়ে তালবাহানা চলবে না, চলবে না।
অবিলম্বে ইশরাক হোসেনের শপথ চাই। দফা এক, দাবি এক, আসিফের পদত্যাগ। জনতার মেয়র ইশরাক ভাই, অন্য কোনো মেয়র নাই। বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত নগরভবনের সামনে আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
শনিবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করা হয়েছিল। তাপস প্রভাব খাটিয়ে এই মামলা থামানোর চেষ্টা করেন। তখন আদালত আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে সব আইনি পদক্ষেপ মেনে আমরা রায় পেয়েছি। কাজেই আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন, তারা আদালত অবমাননা করছেন। গেজেট প্রকাশের ২০ দিন পার হলেও তাকে শপথ করানো হয়নি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমি শপথ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন। তবে গত ২৭ মার্চ ট্রাইব্যুনালের রায়ে তাপসকে বিজয়ী ঘোষণার ফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয়। ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় নির্বাচন কমিশন।

ডেস্ক : 



















ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক