ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব : ২০১৩সালের ৫মে  শাপলাচত্বরে অন্তত ৫৮জন নিহত হয়েছিলেন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • 115
18

অনলাইন ডেস্ক  :  ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তিনি বলেছেন, ৫ মে কেন্দ্রিক দুই দিনের সহিংসতায় অন্তত ৫৮ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্যও ছিলেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন তিনি। আবুল কালাম আজাদ মজুমদার লিখেছেন, ‘যখনই হেফাজতে ইসলামের কোনো বড় ধরনের সমাবেশ দেখি, তখনই মনে পড়ে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের জন্য আমার করা শাপলা চত্বর গণহত্যার তদন্ত কাজের কথা। পুরো বিশ্ব যখন এই হত্যাকাণ্ডে কতজন নিহত হয়েছেন তা নিয়ে বিভ্রান্ত ছিল, আমি তখন ঢাকাভিত্তিক সাবেক বিবিসি সংবাদদাতা মার্ক ডামেটের সঙ্গে যৌথভাবে এই কঠিন কাজ হাতে নিয়েছিলাম। আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাই যে দুই দিনের ওই সহিংসতায় অন্তত ৫৮ জন মানুষ নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্যও ছিলেন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘আপনারা যারা এখন সাংবাদিকতার জগতে পা রেখেছেন, মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করছেন- আপনারা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না, সেই সময় কতটা কঠিন ছিল। দুই সপ্তাহ ধরে চলা তদন্তে আমরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি, হাসপাতালের রেজিস্ট্রার খাতায় খোঁজ করেছি, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি, প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা শুনেছি, দাফনের প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। আর সব সময় একটা ভয় বয়ে বেড়িয়েছি, যদি নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে পড়ে যাই, যদি নিখোঁজ হয়ে যাই! নিরাপত্তাজনিত কারণে এতদিন আমি কখনো এই কাজের স্বীকৃতি নিতে পারিনি। কিন্তু যখন কোনো সহকর্মী সাংবাদিক আমার কাজকে উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন সত্যিই এক অদ্ভুত আনন্দ পাই।’

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গাড়িচাপায় যুবককে ‘হত্যার’ ঘটনায় সাবেক ‍যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ জন

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব : ২০১৩সালের ৫মে  শাপলাচত্বরে অন্তত ৫৮জন নিহত হয়েছিলেন

আপডেট সময় ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
18

অনলাইন ডেস্ক  :  ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তিনি বলেছেন, ৫ মে কেন্দ্রিক দুই দিনের সহিংসতায় অন্তত ৫৮ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্যও ছিলেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন তিনি। আবুল কালাম আজাদ মজুমদার লিখেছেন, ‘যখনই হেফাজতে ইসলামের কোনো বড় ধরনের সমাবেশ দেখি, তখনই মনে পড়ে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের জন্য আমার করা শাপলা চত্বর গণহত্যার তদন্ত কাজের কথা। পুরো বিশ্ব যখন এই হত্যাকাণ্ডে কতজন নিহত হয়েছেন তা নিয়ে বিভ্রান্ত ছিল, আমি তখন ঢাকাভিত্তিক সাবেক বিবিসি সংবাদদাতা মার্ক ডামেটের সঙ্গে যৌথভাবে এই কঠিন কাজ হাতে নিয়েছিলাম। আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাই যে দুই দিনের ওই সহিংসতায় অন্তত ৫৮ জন মানুষ নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্যও ছিলেন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘আপনারা যারা এখন সাংবাদিকতার জগতে পা রেখেছেন, মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করছেন- আপনারা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না, সেই সময় কতটা কঠিন ছিল। দুই সপ্তাহ ধরে চলা তদন্তে আমরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি, হাসপাতালের রেজিস্ট্রার খাতায় খোঁজ করেছি, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি, প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা শুনেছি, দাফনের প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। আর সব সময় একটা ভয় বয়ে বেড়িয়েছি, যদি নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে পড়ে যাই, যদি নিখোঁজ হয়ে যাই! নিরাপত্তাজনিত কারণে এতদিন আমি কখনো এই কাজের স্বীকৃতি নিতে পারিনি। কিন্তু যখন কোনো সহকর্মী সাংবাদিক আমার কাজকে উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যবহার করেন, তখন সত্যিই এক অদ্ভুত আনন্দ পাই।’