ঢাকা
,
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজয়ের মাসে সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি নিবেদন থাকবে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেবে
-
ডেস্ক : - আপডেট সময় ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩
- 336
সুতরাং রাজনীতিবিদগণ নিজেদের ভূমিকার পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও জনসাধারণের মুখোমুখি বসার একটি বিশেষ মাস ডিসেম্বর। সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের ত্যাগের বিনিময়ে এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। বাঙালি জাতি বিনম্র চিত্তে অবনত মস্তকে স্বাধীনতার ত্যাগী মানুষদের অবিস্মরণীয় ভূমিকাকে গভীরভাবে স্মরণ করে।
আগুন সন্ত্রাসীদের ভয়ে মানুষ দিবস উদ্যাপনের বিষয়ে কিছুটা হলেও ভয়ে তটস্থ। এই যে বিজয়ের মাসের তাৎপর্যকে ভূলুন্ঠিত করা হচ্ছে, এর দায় কিন্তু হরতাল-অবরোধ আহ্বানকারীদের নিতেই হবে। কারণ, হরতাল-অবরোধ সাধারণ জনগণ প্রত্যাখ্যান করলেও বাসে-ট্রেনে আগুন সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ধ্বংস করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মন ও মননের স্বাভাবিকতা নষ্ট হবে, এটাই চিরায়ত নিয়ম। বাস্তবে এ মাসে সকল রাজনৈতিক দলের বিজয়ের মাসকে উদ্যাপনের জন্য আলাদা কর্মসূচি থাকার কথা। অবশ্য যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, পাকিস্তানিদের সঙ্গে দালালি করেছে, তাদের বিষয় আলাদা। তারা কখনোই বিজয়ের মাসের কর্মসূচিকে বিজয়ের মর্মার্থ দিয়ে উদ্যাপন করবে না। উল্টো বিজয়ের আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে উঠে পড়ে লাগবে। লেগেছেও।
যারা এখনো তৎপর এবং তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চক্রও জড়িত। এরা সুযোগ পেলেই দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালায়। প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে দেয়। দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে। ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে বিদেশী শক্তির ওপর নির্ভর করে থাকে, সেখানে জনগণ তাদের নিকট গুরুত্বহীন। এদের চরিত্র সম্পর্কেও দেশের মানুষকে জানাতে হবে। প্রয়োজনে মুখোশ উন্মোচন করে দিতে হবে জনগণের সামনে। অবশ্য বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত সচেতন। নির্বাচনে তথা ভোটের মাঠে তাদেরকে বরাবরই এ দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। বিজয়ের মাসের আলোচনায় এ বিষয়গুলো আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসতে পারে।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ





















হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা, কেড়ে নিচ্ছে মান-সম্মান : রাজধানীতে কথিত স্বামীসহ জান্নাতুল ফেরদৌসী তমা’র সংঘবদ্ধ হানিট্রাপ!