ভাইয়ের নামে টেন্ডার : প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে
ইসলাম সবুজ : সাড়ে ২০ কোটি টাকার প্রাক্কলনে প্রকৃত নির্মাণ ব্যয় ৭–৮ কোটি, অভিযোগ প্রকল্প পরিচালকের আত্মীয় সংশ্লিষ্টতার। টেন্ডার (দরপত্র) প্রকল্পে দুর্নীতি একটি গুরুতর সমস্যা, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই দেখা যায়। এই দুর্নীতি প্রকল্পের গুণগত মান কমিয়ে দেয়, সরকারের অর্থ অপচয় করে এবং সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে। সরকারি একটি গুদামঘর নির্মাণ প্রকল্পে টেন্ডার পেয়ে বসে আছেন প্রকল্প পরিচালকের ভাই। অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত নির্মাণ ব্যয় যেখানে ৭ থেকে ৮ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, সেখানে প্রাক্কলন করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট মহলের আশঙ্কা, এই টেন্ডারের মাধ্যমে অন্তত ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা লোপাট হতে পারে। অভিযোগের তীর প্রকল্প পরিচালক আমিনুল ইসলাম এবং তার ভাইয়ের দিকে। অভিযোগকারীরা বলছেন, এই টেন্ডার পদ্ধতি বৈধতা পেলে সরকারি প্রকল্পে স্বজনপ্রীতির দায় এড়ানো যাবে না, এমনকি দেশের প্রচলিত আইনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। স্থানীয় সূত্র বলছে, ইতোমধ্যে টেন্ডারপ্রাপ্তির পরপরই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, যিনি প্রকল্প পরিচালকের ভাই বলে পরিচিত, অনুমোদন পাওয়ার মাধ্যমেই দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা লাভ করে বসে আছেন। অর্থাৎ কাগজে-কলমে কাজ শুরু না করেই বিপুল অঙ্কের টাকার ভাগ চলে গেছে সংশ্লিষ্ট মহলের পকেটে। প্রকল্প পরিচালকের পাল্টা দাবি : 'সবই...