ঢাকা , শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভুলে ভরা বুলবুল ?

117

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপ বেড়েছে—এমন অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সিদ্ধান্তে সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদকে মনোনয়ন ও অপসারণের ঘটনা বিসিবির ইতিহাসে একটি নেতিবাচক নজির তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থকে সরিয়ে সভাপতির আসনে বসেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এ ছাড়া বিসিবির নির্বাচন প্রক্রিয়াতেও সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার নগ্ন হস্তক্ষেপ ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। নির্বাচন বয়কট করা ক্লাব কর্মকর্তারা সরাসরি বুলবুলের দিকে আঙুল তুলেছিলেন। এমনকি একটি পাঁচতারকা হোটেলে রাতে ভোট গ্রহণের অভিযোগও আলোচনায় আসে।

নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর পাশাপাশি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তেও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়েও সরকারকে বিষয়টির ভয়াবহতা বোঝাতে ব্যর্থ হন তিনি। জানা গেছে, ক্রিকেট কূটনীতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগও করেননি বিসিবি সভাপতি। এক কথায়, ভুল সিদ্ধান্ত আর কৌশলগত ব্যর্থতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল—এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।

আইসিসি সদস্যদের সঙ্গে লবিংয়ে ব্যর্থতা

আইসিসির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে পর্যাপ্ত লবিং না করায় বিসিবির কর্মকর্তারাও বিস্মিত। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের বিরোধিতা করায় হতাশা আরও বেড়েছে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভা দেশটির গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিসিবি আগে থেকে যোগাযোগ না করায় তারা সমর্থন দিতে পারেননি। বিসিবির সাবেক পরিচালক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি স্পষ্টভাবে বলেছেন, ক্রিকেট কূটনীতিতে বাংলাদেশ চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

৪ জানুয়ারির পর থেকে পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেননি আমিনুল ইসলাম। বিশ্বকাপ ইস্যুর চেয়ে বিপিএলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় শ্রীলঙ্কা বা ইংল্যান্ড গিয়ে লবিংয়ের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকেছে। এমনকি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি। বরং শুরু থেকেই রাজনৈতিক নেতাদের মতো বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করেছেন বিসিবি সভাপতি।

অতিরিক্ত পিসিবি নির্ভরশীলতা

পাকিস্তানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বিসিবি মূলত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছেই সহযোগিতা চেয়েছে। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে বলে জিও টিভির উর্দু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। কূটনীতির বদলে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ায় আইসিসি কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের সরাসরি সম্পৃক্ততা অন্য দেশগুলোর সমর্থন কমিয়ে দিয়েছে বলেও আইসিসি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে।

সরকারকে বোঝাতে ব্যর্থ বিসিবি সভাপতি

বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে অংশ না নিলে বাংলাদেশের ক্রিকেট কী ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে—তা সরকারকে স্পষ্টভাবে বোঝাতে পারেননি বিসিবি সভাপতি। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠকে বোর্ড পরিচালকদের সবাইকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। বিশ্বকাপ বর্জনের নেতিবাচক প্রভাবও যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে জানা গেছে। অধিকাংশ সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ায় বিসিবির পরিচালকদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদে অভিজ্ঞ সংগঠকের অভাব স্পষ্ট, পাশাপাশি সাবেক অভিজ্ঞ পরিচালকদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি সভাপতি—যা সমালোচনার মাত্রা বাড়িয়েছে।

আইসিসির বিরোধিতা করে নিয়ম ভঙ্গ

সাধারণ সদস্য দেশ হিসেবে আইসিসির প্রকাশ্য সমালোচনা করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। অথচ আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রকাশ্যে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ২২ জানুয়ারি ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করেছে এবং একটি দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বিসিবি সভাপতির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

ক্লাবগুলোর সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব

বিসিবির নির্বাচন ঘিরে ঢাকার বেশির ভাগ ক্লাব কর্মকর্তার সঙ্গে সভাপতির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। নির্বাচন বয়কটের পরও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো উদ্যোগ নেননি আমিনুল ইসলাম। বরং কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুনকে তিনি বলেছেন, বিষয়টি এত ছোট যে তিনি তা নিয়ে ভাবেন না। এই মন্তব্যের পর উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। ক্লাব ক্রিকেটকে অবমূল্যায়নের ফলে বিরোধ মেটার বদলে আরও গভীর হয়েছে। প্রথম বিভাগের মাত্র ১২টি ক্লাব নিয়ে আংশিক লিগ আয়োজন করাও সেই সংকটেরই প্রতিফলন।

ক্রিকেটারদের দাবি উপেক্ষার অভিযোগ

বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের ‘ভিলেন’ বানানোর অভিযোগও উঠেছে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট ক্রিকেটাঙ্গনে ক্ষোভের জন্ম দেয়। ক্রিকেটারদের কটু মন্তব্যের প্রতিবাদে এক দিনের জন্য বন্ধ থাকে বিপিএল। শাস্তির আশ্বাসে খেলায় ফিরলেও বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ক্রিকেটারদের দাবি ও মর্যাদা উপেক্ষিত হওয়ার অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

যানবাহনে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিলো সরকার

ভুলে ভরা বুলবুল ?

আপডেট সময় ০১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
117

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপ বেড়েছে—এমন অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সিদ্ধান্তে সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদকে মনোনয়ন ও অপসারণের ঘটনা বিসিবির ইতিহাসে একটি নেতিবাচক নজির তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থকে সরিয়ে সভাপতির আসনে বসেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এ ছাড়া বিসিবির নির্বাচন প্রক্রিয়াতেও সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার নগ্ন হস্তক্ষেপ ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। নির্বাচন বয়কট করা ক্লাব কর্মকর্তারা সরাসরি বুলবুলের দিকে আঙুল তুলেছিলেন। এমনকি একটি পাঁচতারকা হোটেলে রাতে ভোট গ্রহণের অভিযোগও আলোচনায় আসে।

নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর পাশাপাশি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তেও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়েও সরকারকে বিষয়টির ভয়াবহতা বোঝাতে ব্যর্থ হন তিনি। জানা গেছে, ক্রিকেট কূটনীতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগও করেননি বিসিবি সভাপতি। এক কথায়, ভুল সিদ্ধান্ত আর কৌশলগত ব্যর্থতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল—এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।

আইসিসি সদস্যদের সঙ্গে লবিংয়ে ব্যর্থতা

আইসিসির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে পর্যাপ্ত লবিং না করায় বিসিবির কর্মকর্তারাও বিস্মিত। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের বিরোধিতা করায় হতাশা আরও বেড়েছে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভা দেশটির গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিসিবি আগে থেকে যোগাযোগ না করায় তারা সমর্থন দিতে পারেননি। বিসিবির সাবেক পরিচালক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি স্পষ্টভাবে বলেছেন, ক্রিকেট কূটনীতিতে বাংলাদেশ চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

৪ জানুয়ারির পর থেকে পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেননি আমিনুল ইসলাম। বিশ্বকাপ ইস্যুর চেয়ে বিপিএলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় শ্রীলঙ্কা বা ইংল্যান্ড গিয়ে লবিংয়ের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকেছে। এমনকি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি। বরং শুরু থেকেই রাজনৈতিক নেতাদের মতো বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করেছেন বিসিবি সভাপতি।

অতিরিক্ত পিসিবি নির্ভরশীলতা

পাকিস্তানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বিসিবি মূলত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছেই সহযোগিতা চেয়েছে। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে বলে জিও টিভির উর্দু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। কূটনীতির বদলে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ায় আইসিসি কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের সরাসরি সম্পৃক্ততা অন্য দেশগুলোর সমর্থন কমিয়ে দিয়েছে বলেও আইসিসি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে।

সরকারকে বোঝাতে ব্যর্থ বিসিবি সভাপতি

বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে অংশ না নিলে বাংলাদেশের ক্রিকেট কী ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে—তা সরকারকে স্পষ্টভাবে বোঝাতে পারেননি বিসিবি সভাপতি। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠকে বোর্ড পরিচালকদের সবাইকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। বিশ্বকাপ বর্জনের নেতিবাচক প্রভাবও যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে জানা গেছে। অধিকাংশ সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ায় বিসিবির পরিচালকদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদে অভিজ্ঞ সংগঠকের অভাব স্পষ্ট, পাশাপাশি সাবেক অভিজ্ঞ পরিচালকদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি সভাপতি—যা সমালোচনার মাত্রা বাড়িয়েছে।

আইসিসির বিরোধিতা করে নিয়ম ভঙ্গ

সাধারণ সদস্য দেশ হিসেবে আইসিসির প্রকাশ্য সমালোচনা করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। অথচ আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রকাশ্যে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ২২ জানুয়ারি ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করেছে এবং একটি দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বিসিবি সভাপতির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

ক্লাবগুলোর সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব

বিসিবির নির্বাচন ঘিরে ঢাকার বেশির ভাগ ক্লাব কর্মকর্তার সঙ্গে সভাপতির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। নির্বাচন বয়কটের পরও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো উদ্যোগ নেননি আমিনুল ইসলাম। বরং কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুনকে তিনি বলেছেন, বিষয়টি এত ছোট যে তিনি তা নিয়ে ভাবেন না। এই মন্তব্যের পর উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। ক্লাব ক্রিকেটকে অবমূল্যায়নের ফলে বিরোধ মেটার বদলে আরও গভীর হয়েছে। প্রথম বিভাগের মাত্র ১২টি ক্লাব নিয়ে আংশিক লিগ আয়োজন করাও সেই সংকটেরই প্রতিফলন।

ক্রিকেটারদের দাবি উপেক্ষার অভিযোগ

বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের ‘ভিলেন’ বানানোর অভিযোগও উঠেছে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট ক্রিকেটাঙ্গনে ক্ষোভের জন্ম দেয়। ক্রিকেটারদের কটু মন্তব্যের প্রতিবাদে এক দিনের জন্য বন্ধ থাকে বিপিএল। শাস্তির আশ্বাসে খেলায় ফিরলেও বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ক্রিকেটারদের দাবি ও মর্যাদা উপেক্ষিত হওয়ার অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।