ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাছঘাটের ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে : প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • 110
26
 অনুসন্ধান প্রতিবেদন  : নারায়ণগঞ্জের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী মাছঘাট রক্ষা পাবে তো? তথ্য বলছে, শেড নির্মাণে বছরের পর বছর গড়িমসি, ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি এবং সরকারের রাজস্ব হারানোর পেছনে রয়েছে একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা—প্রকল্প পরিচালক (PD) আইয়ুব আলী।
নারায়ণগঞ্জ ৩ নম্বর মাছঘাটে বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত শেড নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা আসে বহু আগেই। কিন্তু আজও সেখানে শুরু হয়নি একটি ইট রাখার কাজও। অথচ বরাদ্দ এসেছে, জমি নির্ধারিত, প্রকল্প অনুমোদিত।বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে প্রকল্প, কিন্তু কাজ শূন্য। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী বছরের পর বছর শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন, কিন্তু কখনো বাস্তব অগ্রগতি দেখাননি,আইয়ুব আলীর আশ্বাসের খেলা।
মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফয়সাল আহমেদ বলেন,আইয়ুব আলী বারবার বলে গেছেন দিচ্ছি দিচ্ছি, কিন্তু কাজ কই? আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে গেছে। ব্যবসায়ী আকরাম বলেন  আইয়ুব আলীর কথিত কুকর্মের তালিকা,  ইচ্ছাকৃত কালক্ষেপণ ও প্রকল্প স্থবির রাখা বিভিন্ন সময় মিডিয়া ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে বলেছেন, ‘শিগগিরই কাজ শুরু হবে’, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি দেননি।
প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে সুবিধাভোগী ঠিকাদারদের জন্য সময় নিচ্ছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, আইয়ুব আলী প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি করছেন যাতে নিজস্ব ঠিকাদার সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দিতে পারেনসিন্ডিকেটের সঙ্গে আঁতাত আছে তার। একাধিক সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে আড়ালে ঘুষ লেনদেন এবং কমিশন বাণিজ্য চলছে।
মাছ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা প্রতিদিন খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যার ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছেন। সরকারের প্রতি বছর কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে—তবুও আইয়ুব আলী নির্লিপ্ত। বিআইডব্লিউটিএ-এর উচ্চ পর্যায় থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বারবার মৌখিক ও লিখিত আদেশ এলেও, আইয়ুব আলী তা কার্যকর করেননি।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি, ৩ নম্বর ঘাটে ৫০০ ব্যবসায়ী মানববন্ধন করেন শেড নির্মাণ দাবিতে। এরপর উপস্থিত কর্মকর্তারা সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরুর আশ্বাস দেন। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়—এই আশ্বাসও কি আইয়ুব আলীর পূর্বের আশ্বাসগুলোর মতোই? এক প্রকল্প কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বলেন, উনি (আইয়ুব আলী) অনেক কিছু গোপন রাখেন। মূল সমস্যা, তিনি প্রকল্পকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ প্রায় দুই শতাব্দীর পুরনো এই ব্যবসায়িক কেন্দ্রটি কেবল ঐতিহ্য নয়, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি।
একজন কর্মকর্তার অবহেলায় সেটি ধ্বংসের মুখে—এটা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং জনস্বার্থবিরোধী অপরাধ। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এখনই হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে এই ঘাট হয়তো হারাবে তার ঐতিহ্য—আর সরকার হারাবে কোটি টাকার রাজস্ব। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ —আইয়ুব আলী কি শুধুই একজন গাফিল প্রকল্প পরিচালক, নাকি একটি দুর্নীতিপরায়ণ চক্রের নিয়ন্ত্রক?
তদন্ত প্রয়োজন। জবাবদিহি প্রয়োজন। আর প্রয়োজন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া। উল্লেখ্য এর আগের অভিযোগ উঠেছে আইয়ুব আলী  অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (Additional Chief Engineer) ও প্রকল্প পরিচালক (Project Director) হিসেবে BRWTP‑1 প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্ব নিয়েছিলেন  ।তিনি BIWTA-এর হয়ে Gulf Kobla‑Karnaphuli ও Dharti‑Banga নামে দুটি যৌথ উদ্যোগের সাথে ৮ জুন ২০২২ তারিখে প্রায় Tk ৪৩০ কোটি মূল্যের ১৩টি নদীপথ ড্রেজিং এবং টার্মিনাল নির্মাণ কাজের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন।
প্রকল্পেই তিনি উত্তর দায়িত্বে ছিলেন, যা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন, ল্যান্ডিং স্টেশন ও টার্মিনাল নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে ।  অভিযোগ আছে গত ১৫ বছরে নদী খনন প্রকল্পে প্রায় হাজার হাজার কোটি টাকা  লুট হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে এবং জলের নাব্যতা পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে কাগজে ‘ড্রেজিং’ দেখানো হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে জাল বিল তৈরি করেছেন  ।
প্রকল্পের অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যয়বহুল উপকাঠামো নির্মাণ (কার্যালয়, পালোন ঘর, টয়লেট ইত্যাদি) দেখিয়ে Tk 124.77 কোটি দিয়ে শুরু হওয়া ফ্লোটি সময়ে Tk 145.20 কোটি পর্যন্ত ‘বৃদ্ধি’ করা হয়, কিন্তু কার্যত কোনো নাব্যতা নিশ্চিত হয়নি  । Shipping and Communication Reporters Forum (SCRF) জানিয়েছে, Kangsa–Vogai নদীর জন্য বরাদ্দ Tk 134.64 কোটি টাকা  প্রকল্পপত্রে,রয়েছে, কিন্তু প্রকৃতভাবে খনন হয়নি, সংস্কার দাবি করেও তেমন কোনো উন্নয়ন চোখে পড়ে না  । Old Brahmaputra নদীর 227 km প্রকল্পে Tk 2763 কোটি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নদীর গভীরতা বা প্রস্থ বৃদ্ধি হয়নি — অবৈধ বিল ও দুর্নীতির কারণে প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে ।
প্রায় 10টি জলপথ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে নাব্যতার অভাবে—এমন পরিস্থিতি চলে এসেছে যেখানে BIWTA-এর ড্রেজিং বিভাগে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নেই  । একসময় BIWTA প্রকৌশলী ও কর্মচারিরা এক কোটি টাকার বেশি ঘুষ নিয়ে প্ল্যানারদের (Basic Dredging Company Ltd) বিল নাকচ করতেন, কাগজে কাজ দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা হত।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালালের থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহ আমিরাতের ডিনাটার

মাছঘাটের ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে : প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
26
 অনুসন্ধান প্রতিবেদন  : নারায়ণগঞ্জের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী মাছঘাট রক্ষা পাবে তো? তথ্য বলছে, শেড নির্মাণে বছরের পর বছর গড়িমসি, ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি এবং সরকারের রাজস্ব হারানোর পেছনে রয়েছে একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা—প্রকল্প পরিচালক (PD) আইয়ুব আলী।
নারায়ণগঞ্জ ৩ নম্বর মাছঘাটে বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত শেড নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা আসে বহু আগেই। কিন্তু আজও সেখানে শুরু হয়নি একটি ইট রাখার কাজও। অথচ বরাদ্দ এসেছে, জমি নির্ধারিত, প্রকল্প অনুমোদিত।বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে প্রকল্প, কিন্তু কাজ শূন্য। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী বছরের পর বছর শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন, কিন্তু কখনো বাস্তব অগ্রগতি দেখাননি,আইয়ুব আলীর আশ্বাসের খেলা।
মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফয়সাল আহমেদ বলেন,আইয়ুব আলী বারবার বলে গেছেন দিচ্ছি দিচ্ছি, কিন্তু কাজ কই? আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে গেছে। ব্যবসায়ী আকরাম বলেন  আইয়ুব আলীর কথিত কুকর্মের তালিকা,  ইচ্ছাকৃত কালক্ষেপণ ও প্রকল্প স্থবির রাখা বিভিন্ন সময় মিডিয়া ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে বলেছেন, ‘শিগগিরই কাজ শুরু হবে’, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি দেননি।
প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে সুবিধাভোগী ঠিকাদারদের জন্য সময় নিচ্ছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, আইয়ুব আলী প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি করছেন যাতে নিজস্ব ঠিকাদার সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দিতে পারেনসিন্ডিকেটের সঙ্গে আঁতাত আছে তার। একাধিক সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে আড়ালে ঘুষ লেনদেন এবং কমিশন বাণিজ্য চলছে।
মাছ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা প্রতিদিন খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যার ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছেন। সরকারের প্রতি বছর কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে—তবুও আইয়ুব আলী নির্লিপ্ত। বিআইডব্লিউটিএ-এর উচ্চ পর্যায় থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বারবার মৌখিক ও লিখিত আদেশ এলেও, আইয়ুব আলী তা কার্যকর করেননি।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি, ৩ নম্বর ঘাটে ৫০০ ব্যবসায়ী মানববন্ধন করেন শেড নির্মাণ দাবিতে। এরপর উপস্থিত কর্মকর্তারা সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরুর আশ্বাস দেন। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়—এই আশ্বাসও কি আইয়ুব আলীর পূর্বের আশ্বাসগুলোর মতোই? এক প্রকল্প কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বলেন, উনি (আইয়ুব আলী) অনেক কিছু গোপন রাখেন। মূল সমস্যা, তিনি প্রকল্পকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ প্রায় দুই শতাব্দীর পুরনো এই ব্যবসায়িক কেন্দ্রটি কেবল ঐতিহ্য নয়, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি।
একজন কর্মকর্তার অবহেলায় সেটি ধ্বংসের মুখে—এটা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং জনস্বার্থবিরোধী অপরাধ। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এখনই হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে এই ঘাট হয়তো হারাবে তার ঐতিহ্য—আর সরকার হারাবে কোটি টাকার রাজস্ব। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ —আইয়ুব আলী কি শুধুই একজন গাফিল প্রকল্প পরিচালক, নাকি একটি দুর্নীতিপরায়ণ চক্রের নিয়ন্ত্রক?
তদন্ত প্রয়োজন। জবাবদিহি প্রয়োজন। আর প্রয়োজন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া। উল্লেখ্য এর আগের অভিযোগ উঠেছে আইয়ুব আলী  অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (Additional Chief Engineer) ও প্রকল্প পরিচালক (Project Director) হিসেবে BRWTP‑1 প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্ব নিয়েছিলেন  ।তিনি BIWTA-এর হয়ে Gulf Kobla‑Karnaphuli ও Dharti‑Banga নামে দুটি যৌথ উদ্যোগের সাথে ৮ জুন ২০২২ তারিখে প্রায় Tk ৪৩০ কোটি মূল্যের ১৩টি নদীপথ ড্রেজিং এবং টার্মিনাল নির্মাণ কাজের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন।
প্রকল্পেই তিনি উত্তর দায়িত্বে ছিলেন, যা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন, ল্যান্ডিং স্টেশন ও টার্মিনাল নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে ।  অভিযোগ আছে গত ১৫ বছরে নদী খনন প্রকল্পে প্রায় হাজার হাজার কোটি টাকা  লুট হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে এবং জলের নাব্যতা পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে কাগজে ‘ড্রেজিং’ দেখানো হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে জাল বিল তৈরি করেছেন  ।
প্রকল্পের অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যয়বহুল উপকাঠামো নির্মাণ (কার্যালয়, পালোন ঘর, টয়লেট ইত্যাদি) দেখিয়ে Tk 124.77 কোটি দিয়ে শুরু হওয়া ফ্লোটি সময়ে Tk 145.20 কোটি পর্যন্ত ‘বৃদ্ধি’ করা হয়, কিন্তু কার্যত কোনো নাব্যতা নিশ্চিত হয়নি  । Shipping and Communication Reporters Forum (SCRF) জানিয়েছে, Kangsa–Vogai নদীর জন্য বরাদ্দ Tk 134.64 কোটি টাকা  প্রকল্পপত্রে,রয়েছে, কিন্তু প্রকৃতভাবে খনন হয়নি, সংস্কার দাবি করেও তেমন কোনো উন্নয়ন চোখে পড়ে না  । Old Brahmaputra নদীর 227 km প্রকল্পে Tk 2763 কোটি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নদীর গভীরতা বা প্রস্থ বৃদ্ধি হয়নি — অবৈধ বিল ও দুর্নীতির কারণে প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে ।
প্রায় 10টি জলপথ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে নাব্যতার অভাবে—এমন পরিস্থিতি চলে এসেছে যেখানে BIWTA-এর ড্রেজিং বিভাগে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নেই  । একসময় BIWTA প্রকৌশলী ও কর্মচারিরা এক কোটি টাকার বেশি ঘুষ নিয়ে প্ল্যানারদের (Basic Dredging Company Ltd) বিল নাকচ করতেন, কাগজে কাজ দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা হত।