ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিথিলা জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

159

৭৪তম আসরের এ মঞ্চে ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়ে সবার শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা প্রতিযোগী তানজিয়া জামান মিথিলা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশের জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী প্রতিযোগিতার প্ল্যাটফর্ম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। সোমবার (১৭ নভেম্বর) নিজেদের অফিসিয়াল পেজে এ সুখবর জানানো হয়।

প্রতিযোগী মিথিলার একটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লেখেন, অভিনন্দন বাংলাদেশ।

আমরা এখন ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়েছি। তানজিয়া জামান মিথিলার ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট গতকাল এই সময়ে ছিল ৭ লাখ ৩৯ হাজার। আপনারা ২৪ ঘণ্টায় ৩ লাখ ভোট দিয়েছেন। বাংলাদেশে ইতিহাস তৈরি হয়েছে!

এই প্রতিযোগিতা বিজয়ীদের জীবন সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

বার্ষিক আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করে থাইল্যান্ড ও মেক্সিকোভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’। এর চূড়ান্ত পর্বের সরাসরি সম্প্রচার থেকে শুরু করে পরবর্তী এক বছরে প্রায় ৫০ কোটির বেশি বার দেখা হয়। ফলে এই প্রতিযোগিতা ইতিহাসের অন্যতম সর্বাধিক দেখা জনপ্রিয় বিউটি প্যাজেন্ট।

মিস ইউনিভার্সের বার্ষিক বাজেট ১০০ মিলিয়ন ডলার।

বিজয়ী হওয়ার পরবর্তী এক বছর মিস ইউনিভার্সের সব খরচ বহন করে মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ। চলুন দেখে নেওয়া যাক, প্রতিযোগিতার বিজয়ী কী পান।

মিস ইউনিভার্সকে এক বছরের বেতন হিসেবে নগদ আড়াই লাখ ডলারের চেক দেওয়া হয়, টাকার অঙ্কে যা ৩ কোটির বেশি। মিস ইউনিভার্সের বিজয়ীকে এক বছর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি মিস ইউনিভার্স সংগঠনের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে দেওয়া হয়। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মিস ইউনিভার্সের বিজয়ীরা সেখানে পাকাপাকিভাবে থাকার সুযোগ পান।

৫.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি হীরাখচিত মুকুট পরার সুযোগ পাবেন, যা ‘ফোর্স ফর গুড’ নামে পরিচিত, যা প্রায় এক হাজার হীরা এবং নীলকান্তমণি দিয়ে সজ্জিত, একটি সত্যিকারের হাঁটার ভাগ্য, যা স্পষ্টতই এটি পরার জন্য একটি মহান দায়িত্ব বহন করে।

তবে শর্ত থাকে যে যেখানেই যান না কেন, মিস ইউনিভার্সের পক্ষ থেকে কিছু দাতব্য কাজে অংশ নিতে হবে। এর বাইরে মিস ইউনিভার্সের বিজয়ী ব্যক্তিগতভাবে কোনো কনসার্ট, ইভেন্ট, ফ্যাশন শো, অ্যাওয়ার্ড শো, পার্টি বা সিনেমার প্রদর্শনীতে যেতে চাইলেও মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ সব ব্যবস্থা করে দেয়। এককথায়, বিজয়ী হওয়ার পরবর্তী এক বছর মিস ইউনিভার্স স্বপ্নের মতোই জীবনযাপনের সুযোগ পান।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা

মিথিলা জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

আপডেট সময় ০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
159

৭৪তম আসরের এ মঞ্চে ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়ে সবার শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা প্রতিযোগী তানজিয়া জামান মিথিলা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশের জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী প্রতিযোগিতার প্ল্যাটফর্ম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। সোমবার (১৭ নভেম্বর) নিজেদের অফিসিয়াল পেজে এ সুখবর জানানো হয়।

প্রতিযোগী মিথিলার একটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লেখেন, অভিনন্দন বাংলাদেশ।

আমরা এখন ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়েছি। তানজিয়া জামান মিথিলার ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট গতকাল এই সময়ে ছিল ৭ লাখ ৩৯ হাজার। আপনারা ২৪ ঘণ্টায় ৩ লাখ ভোট দিয়েছেন। বাংলাদেশে ইতিহাস তৈরি হয়েছে!

এই প্রতিযোগিতা বিজয়ীদের জীবন সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

বার্ষিক আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করে থাইল্যান্ড ও মেক্সিকোভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’। এর চূড়ান্ত পর্বের সরাসরি সম্প্রচার থেকে শুরু করে পরবর্তী এক বছরে প্রায় ৫০ কোটির বেশি বার দেখা হয়। ফলে এই প্রতিযোগিতা ইতিহাসের অন্যতম সর্বাধিক দেখা জনপ্রিয় বিউটি প্যাজেন্ট।

মিস ইউনিভার্সের বার্ষিক বাজেট ১০০ মিলিয়ন ডলার।

বিজয়ী হওয়ার পরবর্তী এক বছর মিস ইউনিভার্সের সব খরচ বহন করে মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ। চলুন দেখে নেওয়া যাক, প্রতিযোগিতার বিজয়ী কী পান।

মিস ইউনিভার্সকে এক বছরের বেতন হিসেবে নগদ আড়াই লাখ ডলারের চেক দেওয়া হয়, টাকার অঙ্কে যা ৩ কোটির বেশি। মিস ইউনিভার্সের বিজয়ীকে এক বছর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি মিস ইউনিভার্স সংগঠনের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে দেওয়া হয়। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মিস ইউনিভার্সের বিজয়ীরা সেখানে পাকাপাকিভাবে থাকার সুযোগ পান।

৫.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি হীরাখচিত মুকুট পরার সুযোগ পাবেন, যা ‘ফোর্স ফর গুড’ নামে পরিচিত, যা প্রায় এক হাজার হীরা এবং নীলকান্তমণি দিয়ে সজ্জিত, একটি সত্যিকারের হাঁটার ভাগ্য, যা স্পষ্টতই এটি পরার জন্য একটি মহান দায়িত্ব বহন করে।

তবে শর্ত থাকে যে যেখানেই যান না কেন, মিস ইউনিভার্সের পক্ষ থেকে কিছু দাতব্য কাজে অংশ নিতে হবে। এর বাইরে মিস ইউনিভার্সের বিজয়ী ব্যক্তিগতভাবে কোনো কনসার্ট, ইভেন্ট, ফ্যাশন শো, অ্যাওয়ার্ড শো, পার্টি বা সিনেমার প্রদর্শনীতে যেতে চাইলেও মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ সব ব্যবস্থা করে দেয়। এককথায়, বিজয়ী হওয়ার পরবর্তী এক বছর মিস ইউনিভার্স স্বপ্নের মতোই জীবনযাপনের সুযোগ পান।