ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত অবস্থায় সোয়া ৮ কেজি সোনা উদ্ধার

123

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮.১২০ কেজি ওজনের ৭০টি সোনারবার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে কাতারের দোহা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩২৬ ফ্লাইটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিমানটির সামনের কার্গো হোল্ডে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় কাপড়ে লুকানো সোনার বারগুলো পরিত্যক্তভাবে পাওয়া যায়।

বিমানবন্দর ইনচার্জ কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার নাজমুন নাহার কায়সার ও সহকারী কমিশনার এস এম সরাফত হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।

এ বিষয়ে কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন গনমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ কাস্টমস দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ও চোরাচালান রোধে সর্বদা সচেষ্ট।

ভবিষ্যতেও কাস্টমস দক্ষতার সঙ্গে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। উদ্ধার করা সোনা যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।

এই ঘটনায় কাস্টমস আইন ২০২৩ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কীভাবে কার্গো হোল্ডে এত পরিমাণ সোনা প্রবেশ করলো এবং কারা এতে জড়িত এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হবেও জানা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৪টি  বিষয়

শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত অবস্থায় সোয়া ৮ কেজি সোনা উদ্ধার

আপডেট সময় ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
123

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮.১২০ কেজি ওজনের ৭০টি সোনারবার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে কাতারের দোহা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩২৬ ফ্লাইটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিমানটির সামনের কার্গো হোল্ডে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় কাপড়ে লুকানো সোনার বারগুলো পরিত্যক্তভাবে পাওয়া যায়।

বিমানবন্দর ইনচার্জ কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার নাজমুন নাহার কায়সার ও সহকারী কমিশনার এস এম সরাফত হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।

এ বিষয়ে কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন গনমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ কাস্টমস দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ও চোরাচালান রোধে সর্বদা সচেষ্ট।

ভবিষ্যতেও কাস্টমস দক্ষতার সঙ্গে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। উদ্ধার করা সোনা যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।

এই ঘটনায় কাস্টমস আইন ২০২৩ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কীভাবে কার্গো হোল্ডে এত পরিমাণ সোনা প্রবেশ করলো এবং কারা এতে জড়িত এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হবেও জানা গেছে।