ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাজেকে পাহাড় ধস, আটকা পড়েছেন ৪ শতাধিক পর্যটক

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • 34
18

অনলাইন ডেস্ক  :  রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে একাধিক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের সাথে খাগড়াছড়ির যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আটকা পড়েছেন ৪ শতাধিক পর্যটক।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, গত রাতে ভারী বর্ষণ হয়েছে। এতে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের নন্দারাম, চাইল্ল্যাতলী ও চম্পক নগর এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়েছে। নন্দরাম এলাকায় তুলনামূলক বেশি মাটি ধসে পড়েছে। ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করেছে। মাটি সরানোর জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ভেকু পাঠানো হচ্ছে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে আটকা পড়েছেন ৪২৫ জন পর্যটক।

সাজেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা পাহাড় ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সড়কের ৩টি স্থানে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়েছে। সড়কের উপর বড় বড় পাথর ও গাছপালা উপড়ে গেছে। স্থানীয় মানুষদের মাটি সরানোর কাজে লাগিয়েছি। তবে ভারী যন্ত্রপাতি ও বুলডোজার ছাড়া এসব পাথর গাছপালা সরানো সম্ভব নয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালালের থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহ আমিরাতের ডিনাটার

সাজেকে পাহাড় ধস, আটকা পড়েছেন ৪ শতাধিক পর্যটক

আপডেট সময় ০২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
18

অনলাইন ডেস্ক  :  রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে একাধিক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের সাথে খাগড়াছড়ির যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আটকা পড়েছেন ৪ শতাধিক পর্যটক।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, গত রাতে ভারী বর্ষণ হয়েছে। এতে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের নন্দারাম, চাইল্ল্যাতলী ও চম্পক নগর এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়েছে। নন্দরাম এলাকায় তুলনামূলক বেশি মাটি ধসে পড়েছে। ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করেছে। মাটি সরানোর জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ভেকু পাঠানো হচ্ছে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে আটকা পড়েছেন ৪২৫ জন পর্যটক।

সাজেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা পাহাড় ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সড়কের ৩টি স্থানে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়েছে। সড়কের উপর বড় বড় পাথর ও গাছপালা উপড়ে গেছে। স্থানীয় মানুষদের মাটি সরানোর কাজে লাগিয়েছি। তবে ভারী যন্ত্রপাতি ও বুলডোজার ছাড়া এসব পাথর গাছপালা সরানো সম্ভব নয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি।