আপডেট সময়
০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
272
১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন
অনলাইন ডেস্ক : আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন। বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ঘোষণা দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পর্যটন মৌসুম। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা। তিনি জানান, ১ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন খোলা থাকবে। তবে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করা যাবে। আর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে রাতে অবস্থান করতে পারবেন পর্যটকরা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল খুলে দেয়ার কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে কবে খুলে দেয়া হবে এর কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ হয়নি।’ আন্তর্জাতিক মানের এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম শেষ না হওয়া এবং বিদেশি নির্মাণ কোম্পানি এখনো পর্যন্ত বুঝিয়ে না দেয়ায় এটি কবে খুলে দেয়া সম্ভব হবে নিশ্চিত নয় বলেও জানান শেখ বশিরউদ্দীন।
255
অনলাইন ডেস্ক : আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন। বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ঘোষণা দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পর্যটন মৌসুম। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা।
তিনি জানান, ১ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন খোলা থাকবে। তবে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করা যাবে। আর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে রাতে অবস্থান করতে পারবেন পর্যটকরা।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল খুলে দেয়ার কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে কবে খুলে দেয়া হবে এর কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ হয়নি।’ আন্তর্জাতিক মানের এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম শেষ না হওয়া এবং বিদেশি নির্মাণ কোম্পানি এখনো পর্যন্ত বুঝিয়ে না দেয়ায় এটি কবে খুলে দেয়া সম্ভব হবে নিশ্চিত নয় বলেও জানান শেখ বশিরউদ্দীন।