ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : আতিউর- বারাকাতসহ ২৭ জনের নামে দুদকের মামলা

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 114
30

সিনিয়র রিপোর্টার

এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ ২৭ জনের নামে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এননটেক্স কোম্পানির নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ মোট ২৭ জন ব্যক্তি রয়েছেন।

আতিউর রহমান এবং তার সহযোগী অন্যান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন। ২০২২ সালে এই সংক্রান্ত ঋণে অনিয়ম তদন্ত করে দুদক। সে সময় দুদকের তদন্তে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দেশে ফেরা অনাকাঙ্ক্ষিত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : আতিউর- বারাকাতসহ ২৭ জনের নামে দুদকের মামলা

আপডেট সময় ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
30

সিনিয়র রিপোর্টার

এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ ২৭ জনের নামে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এননটেক্স কোম্পানির নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ মোট ২৭ জন ব্যক্তি রয়েছেন।

আতিউর রহমান এবং তার সহযোগী অন্যান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন। ২০২২ সালে এই সংক্রান্ত ঋণে অনিয়ম তদন্ত করে দুদক। সে সময় দুদকের তদন্তে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।