ঢাকা , শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভিসানীতি নিয়ে কারও পুলকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই তথ্যমন্ত্রী

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 23

সিনিয়র রিপোর্টার : সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্যকর হওয়া ভিসানীতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজ বিএনপি নানা ধরনের কথা বলে। ভিসানীতি ঘোষণা করার পর এক ধরনের কথা বলে, আবার পত্রিকায় খবর আসার পর আরেক ধরনের কথা বলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ সেটি প্রমাণ করে। তাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক দিন দিন দৃঢ় হচ্ছে। তাই ভিসানীতি নিয়ে কারও পুলকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। যারা নির্বাচনে বাধা দেবে, এই নীতি তাদের বিরুদ্ধেই প্রযোজ্য হবে।

প্রীতিলতা ওয়েদ্দারের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় আজ রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বহু পরাশক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। সেই রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে, সেই ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে আমাদের পূর্বসূরী মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। আজও অনেকে চোখ রাঙায়, অনেক দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র হয়। গত ১৫ বছরে দেশের অগ্রগতির চাকাকে স্তব্ধ করার জন্য দেশের ভেতরে ও বাইরে বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। সমস্ত ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে দেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে। শেখ হাসিনা কোনো রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেন না।

বিএনপিকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নতুন সংস্করণ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে দেশবিরোধী অপশক্তি, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদেরই নতুন সংস্করণ হচ্ছে বিএনপি এবং তাদের সহযোগী হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। যারা শুধু দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেনি, বরং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে অস্ত্র ধরেছিল। তাই বিএনপি-জামায়াত চক্র আজকে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।

আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে যদি বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসেন, আমরা তাদের স্বাগত জানাই। কেউ না এলেও কোনো অসুবিধা নেই। এই নির্বাচন আমাদের, এই দেশ আমাদের। এখানে নির্বাচন কীভাবে হবে, সেটি আমরা ঠিক করবো। যারা দেশে দেশে গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে, যাদের নিজের দেশে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন, যাদের দেশে পার্লামেন্ট ভবনে আক্রমণ হয়, তাদের আমাদের গণতন্ত্র শেখাতে হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অবশ্যই থাকবে।

প্রীতিলতা ও সূর্যসেনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রীতিলতা যেভাবে আত্মাহুতি দিয়েছিল, এটি সমস্ত ভারতীয় মুক্তিকামী মানুষদের অনুপ্রাণিত করেছিল, উদ্বুদ্ধ করেছিল। প্রীতিলতা-সূর্যসেন যেভাবে দেশ মাতৃকার জন্য জীবন দিয়েছেন, সেটি ভারতীয় মুক্তির সংগ্রাম এবং আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামে বারে বারে যুগে যুগে প্রেরণা জুগিয়েছে। ভবিষ্যতেও যোগাবে। প্রীতিলতা ও সূর্যসেনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. বলরাম পোদ্দার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভিসানীতি নিয়ে কারও পুলকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সিনিয়র রিপোর্টার : সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্যকর হওয়া ভিসানীতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজ বিএনপি নানা ধরনের কথা বলে। ভিসানীতি ঘোষণা করার পর এক ধরনের কথা বলে, আবার পত্রিকায় খবর আসার পর আরেক ধরনের কথা বলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ সেটি প্রমাণ করে। তাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক দিন দিন দৃঢ় হচ্ছে। তাই ভিসানীতি নিয়ে কারও পুলকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। যারা নির্বাচনে বাধা দেবে, এই নীতি তাদের বিরুদ্ধেই প্রযোজ্য হবে।

প্রীতিলতা ওয়েদ্দারের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় আজ রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বহু পরাশক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। সেই রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে, সেই ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে আমাদের পূর্বসূরী মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। আজও অনেকে চোখ রাঙায়, অনেক দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র হয়। গত ১৫ বছরে দেশের অগ্রগতির চাকাকে স্তব্ধ করার জন্য দেশের ভেতরে ও বাইরে বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। সমস্ত ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে দেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে। শেখ হাসিনা কোনো রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেন না।

বিএনপিকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নতুন সংস্করণ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে দেশবিরোধী অপশক্তি, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদেরই নতুন সংস্করণ হচ্ছে বিএনপি এবং তাদের সহযোগী হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। যারা শুধু দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেনি, বরং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে অস্ত্র ধরেছিল। তাই বিএনপি-জামায়াত চক্র আজকে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।

আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে যদি বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসেন, আমরা তাদের স্বাগত জানাই। কেউ না এলেও কোনো অসুবিধা নেই। এই নির্বাচন আমাদের, এই দেশ আমাদের। এখানে নির্বাচন কীভাবে হবে, সেটি আমরা ঠিক করবো। যারা দেশে দেশে গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে, যাদের নিজের দেশে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন, যাদের দেশে পার্লামেন্ট ভবনে আক্রমণ হয়, তাদের আমাদের গণতন্ত্র শেখাতে হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অবশ্যই থাকবে।

প্রীতিলতা ও সূর্যসেনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রীতিলতা যেভাবে আত্মাহুতি দিয়েছিল, এটি সমস্ত ভারতীয় মুক্তিকামী মানুষদের অনুপ্রাণিত করেছিল, উদ্বুদ্ধ করেছিল। প্রীতিলতা-সূর্যসেন যেভাবে দেশ মাতৃকার জন্য জীবন দিয়েছেন, সেটি ভারতীয় মুক্তির সংগ্রাম এবং আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামে বারে বারে যুগে যুগে প্রেরণা জুগিয়েছে। ভবিষ্যতেও যোগাবে। প্রীতিলতা ও সূর্যসেনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. বলরাম পোদ্দার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।