ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার বলেছেন : শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো না

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 56

অনলাইন ডেস্ক :  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনী এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ও সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতো না।

শুক্রবার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্ম দিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা, দোয়া মাহফিল, কেক কাটা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ হেনরি কিসিঞ্জারের সেই তলাবিহীন ঝুঁড়ি থেকে সারা বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল হতে পারতো না। শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছিল বলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছে। তিনি আরো বলেন, একটা সময় আমরা দেখেছি দেশের ৫৬০টি উপজেলায় এক সঙ্গে বোমা হামলা হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে এক সঙ্গে ৫৬০টি স্থানে মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা যতদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকবেন এ দেশের মানুষ ততদিন সুখ শান্তিতে বসবাস করবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতার চেয়ারে বসাতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন শেখ, আমিনুজ্জামান খান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিয়ার রহমান হাজরা, রুহুল আমিন খান, প্রচার সম্পাদক হান্নান শেখ,আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন খান, যুবলীগ সভাপতি ফজলুর রহমান দিপু, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাজরা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী খায়রুল রাজ্জাক খসরু, সাধারণ সম্পাদক বাবলু হাজরা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি স্বপন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক শামিম দাড়িয়াসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল এবং কেক কাটা হয়।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার বলেছেন : শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো না

আপডেট সময় ০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক :  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনী এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ও সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতো না।

শুক্রবার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্ম দিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা, দোয়া মাহফিল, কেক কাটা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বাংলাদেশ হেনরি কিসিঞ্জারের সেই তলাবিহীন ঝুঁড়ি থেকে সারা বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল হতে পারতো না। শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছিল বলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছে। তিনি আরো বলেন, একটা সময় আমরা দেখেছি দেশের ৫৬০টি উপজেলায় এক সঙ্গে বোমা হামলা হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে এক সঙ্গে ৫৬০টি স্থানে মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা যতদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকবেন এ দেশের মানুষ ততদিন সুখ শান্তিতে বসবাস করবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতার চেয়ারে বসাতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন শেখ, আমিনুজ্জামান খান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিয়ার রহমান হাজরা, রুহুল আমিন খান, প্রচার সম্পাদক হান্নান শেখ,আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন খান, যুবলীগ সভাপতি ফজলুর রহমান দিপু, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাজরা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী খায়রুল রাজ্জাক খসরু, সাধারণ সম্পাদক বাবলু হাজরা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি স্বপন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক শামিম দাড়িয়াসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল এবং কেক কাটা হয়।