ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলা একাডেমিতে নিয়োগ দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে দুদকের অভিযানে

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 27

সিনিয়র রিপোর্টার

বাংলা একাডেমিতে ১৭৫ জন নিয়োগ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রমাণ মিলেছে দুদকের অভিযানে।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমিতে নিয়োগ জালিয়াতির খোঁজে অভিযান পরিচালনা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে তৎকালীন মহাপরিচালক নুরুল হুদাসহ সংশ্লিষ্টরা চাকরির আবেদন ফরম থেকে শুরু করে পদে পদে দুর্নীতি করেছেন। এমন কি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে ১০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেন তারা। ২০২২ সালে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৮০ জনের বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলা একাডেমি। ৫০ হাজার নিয়োগ প্রার্থীর কাছ থেকে অন্তত ২ কোটি টাকা জমা হয়। এরমধ্যে অর্ধকোটি টাকা লুটপাট করেন তখনকার মহাপরিচালক নুরুল হুদাসহ অন্যরা।

দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ জানান, ৪ হাজার প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখানো হলেও মৌখিক পরীক্ষার ডাকা হয় মাত্র ৫০০ জনকে। তবে ফল প্রকাশ না করেই ১৭৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে অভিযুক্তরা। যেখানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকে স্থায়ীকরণ, আত্মীয়-স্বজন ও কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়মের লঙ্ঘন করে চাকরি দেয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এমনকি কর্মচারী নিয়োগে ১০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেযারও অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমান বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন, অতীতে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। একইসাথে অপরাধী হলে তাদের বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

দুদক বলছে, রাজনৈতিক প্রভাব, কর্মকর্তাদের খেয়ালখুশি মতো নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে যারা জড়িত, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস

আজ ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে

বাংলা একাডেমিতে নিয়োগ দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে দুদকের অভিযানে

আপডেট সময় ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সিনিয়র রিপোর্টার

বাংলা একাডেমিতে ১৭৫ জন নিয়োগ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রমাণ মিলেছে দুদকের অভিযানে।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমিতে নিয়োগ জালিয়াতির খোঁজে অভিযান পরিচালনা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে তৎকালীন মহাপরিচালক নুরুল হুদাসহ সংশ্লিষ্টরা চাকরির আবেদন ফরম থেকে শুরু করে পদে পদে দুর্নীতি করেছেন। এমন কি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে ১০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেন তারা। ২০২২ সালে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৮০ জনের বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলা একাডেমি। ৫০ হাজার নিয়োগ প্রার্থীর কাছ থেকে অন্তত ২ কোটি টাকা জমা হয়। এরমধ্যে অর্ধকোটি টাকা লুটপাট করেন তখনকার মহাপরিচালক নুরুল হুদাসহ অন্যরা।

দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ জানান, ৪ হাজার প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখানো হলেও মৌখিক পরীক্ষার ডাকা হয় মাত্র ৫০০ জনকে। তবে ফল প্রকাশ না করেই ১৭৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে অভিযুক্তরা। যেখানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকে স্থায়ীকরণ, আত্মীয়-স্বজন ও কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়মের লঙ্ঘন করে চাকরি দেয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এমনকি কর্মচারী নিয়োগে ১০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেযারও অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমান বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন, অতীতে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। একইসাথে অপরাধী হলে তাদের বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

দুদক বলছে, রাজনৈতিক প্রভাব, কর্মকর্তাদের খেয়ালখুশি মতো নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে যারা জড়িত, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।