ঢাকা , বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমু পরিবারের বিরুদ্ধে ৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে দুদকের পৃথক ৩ মামলা

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • 13

সিনিয়র রিপোর্টার

৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ঝালকাঠী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমীর হোসেন আমু, তার স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। 

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, প্রথম মামলায় আমুর বিরুদ্ধে ২৬ কোটি ২৭ লাখ ৮১ হাজার ৪৬১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার ১৪টি ব্যাংক হিসেবে ৩১ কোটি ৪৭ লাখ ৯২ হাজার ৭০৮ টাকার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী সৈয়দা হক মেরী ও স্বামী আমুকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে সৈয়দা হক মেরীর কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তার স্বামীর সহযোগিতায় অবৈধ উপায়ে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ৯১ গাজার ৬৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ তার নামীয় ১৩টি ব্যাংক হিসাবে ৬২ কোটি ৬৮ লাখ ৪১৭ টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় মেরীর মেয়ে সুমাইয়া হোসেন ও তার স্বামী আমির হোসেন আমুকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে পিতার সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৮১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ তার নামীয় ১৮টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার ৬৪২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) (৩) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ১৯৪৭এর ৫(২) ধারায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে।

ট্যাগস

আমু পরিবারের বিরুদ্ধে ৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে দুদকের পৃথক ৩ মামলা

আপডেট সময় ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

সিনিয়র রিপোর্টার

৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ঝালকাঠী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমীর হোসেন আমু, তার স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। 

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, প্রথম মামলায় আমুর বিরুদ্ধে ২৬ কোটি ২৭ লাখ ৮১ হাজার ৪৬১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার ১৪টি ব্যাংক হিসেবে ৩১ কোটি ৪৭ লাখ ৯২ হাজার ৭০৮ টাকার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী সৈয়দা হক মেরী ও স্বামী আমুকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে সৈয়দা হক মেরীর কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তার স্বামীর সহযোগিতায় অবৈধ উপায়ে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ৯১ গাজার ৬৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ তার নামীয় ১৩টি ব্যাংক হিসাবে ৬২ কোটি ৬৮ লাখ ৪১৭ টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় মেরীর মেয়ে সুমাইয়া হোসেন ও তার স্বামী আমির হোসেন আমুকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে পিতার সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৮১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ তার নামীয় ১৮টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার ৬৪২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) (৩) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ১৯৪৭এর ৫(২) ধারায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে।