ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টির জিএম কাদের বলেছেন  : ‘নির্বাচন ঠিক সময়ে হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে’

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩
  • 51
অনলাইন ডেস্ক :  জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, নির্বাচন উপযুক্ত সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ভোট গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। এ নিয়ে জনগণের মাঝে উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা বিরাজ করছে। সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে ‘উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, মানুষের কাছে এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে সামনের নির্বাচন। নির্বাচন উপযুক্ত সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ভোট গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। এ নিয়ে জনগণের মাঝে উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা বিরাজ করছে। ভবিষ্যতে আমাদের কী হবে-এ নিয়ে মানুষ আতঙ্কিত। 
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার বলছে ক্ষমতার বাইরে গেলে তাদের পিটিয়ে মারবে বিএনপি-জামায়াত। আমি বলছি, বিএনপি-জামায়াতকে লাগবে না। ১৬ কোটি মানুষকে যেখানে নিয়ে গেছেন, তারা ১টি করে ঢিল ছুড়লেই আপনারা শেষ হয়ে যাবেন। তাই পুলিশ ছাড়া চলতে পারবেন না। দেশবাসী কি আপনাদের আজীবন ক্ষমতায় রাখবে? এটা ভাবেন কেমন করে?
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, কিছুদিন আগে আমেরিকা গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ করেনি। সম্প্রতি জার্মানির এক প্রতিষ্ঠান ১২৯ দেশের মধ্যে জরিপ করে ২০২৩ সালের রিপোর্টে বলেছে, ৪৮ দেশে স্বৈরশাসন চলছে। তারা বলেছে বাংলাদেশ, লেবানন, মোজাম্বিক, নিকারাগুয়া ও উগান্ডায় নতুন করে তা চালু হয়েছে। ডলারের দাম বাড়ছে তাই প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি মাসে ১ বিলিয়ন ডলার কমছে। ১০৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশি এবং দেশি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ১০৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রবাসী আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। তাই রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।
শ্রীলঙ্কা এখন আমাদের চেয়ে ভালো আছে জানিয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, শ্রীলঙ্কা যখন দেউলিয়া হয়েছিল, তখন এমনভাবেই তাদের রিজার্ভ কমেছিল। ১০ বিলিয়নে ঠেকলে দেশকে দেউলিয়া হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। ডলারের দাম বাড়ছে, তাই প্রতিটি পণ্যের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

সুইস ব্যাংক থেকে নজিরবিহীন গতিতে টাকা তুলছে বাংলাদেশিরা

জাতীয় পার্টির জিএম কাদের বলেছেন  : ‘নির্বাচন ঠিক সময়ে হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে’

আপডেট সময় ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩
অনলাইন ডেস্ক :  জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, নির্বাচন উপযুক্ত সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ভোট গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। এ নিয়ে জনগণের মাঝে উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা বিরাজ করছে। সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে ‘উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, মানুষের কাছে এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে সামনের নির্বাচন। নির্বাচন উপযুক্ত সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ভোট গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। এ নিয়ে জনগণের মাঝে উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা বিরাজ করছে। ভবিষ্যতে আমাদের কী হবে-এ নিয়ে মানুষ আতঙ্কিত। 
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার বলছে ক্ষমতার বাইরে গেলে তাদের পিটিয়ে মারবে বিএনপি-জামায়াত। আমি বলছি, বিএনপি-জামায়াতকে লাগবে না। ১৬ কোটি মানুষকে যেখানে নিয়ে গেছেন, তারা ১টি করে ঢিল ছুড়লেই আপনারা শেষ হয়ে যাবেন। তাই পুলিশ ছাড়া চলতে পারবেন না। দেশবাসী কি আপনাদের আজীবন ক্ষমতায় রাখবে? এটা ভাবেন কেমন করে?
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, কিছুদিন আগে আমেরিকা গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ করেনি। সম্প্রতি জার্মানির এক প্রতিষ্ঠান ১২৯ দেশের মধ্যে জরিপ করে ২০২৩ সালের রিপোর্টে বলেছে, ৪৮ দেশে স্বৈরশাসন চলছে। তারা বলেছে বাংলাদেশ, লেবানন, মোজাম্বিক, নিকারাগুয়া ও উগান্ডায় নতুন করে তা চালু হয়েছে। ডলারের দাম বাড়ছে তাই প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি মাসে ১ বিলিয়ন ডলার কমছে। ১০৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশি এবং দেশি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ১০৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রবাসী আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। তাই রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।
শ্রীলঙ্কা এখন আমাদের চেয়ে ভালো আছে জানিয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, শ্রীলঙ্কা যখন দেউলিয়া হয়েছিল, তখন এমনভাবেই তাদের রিজার্ভ কমেছিল। ১০ বিলিয়নে ঠেকলে দেশকে দেউলিয়া হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। ডলারের দাম বাড়ছে, তাই প্রতিটি পণ্যের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে।