ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২৮ অক্টোবর সমাবেশের অনুমতি নিয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
  • 53

সিনিয়র রিপোর্টার: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সমাবেশ ডেকেছে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে আবেদন করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। জনদুর্ভোগ ও নাশকতা এড়াতে রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে। শুধু সন্দেহভাজনদের তল্লাশির আওতায় আনা হবে। জনসাধারণের জানমালের ঝুঁকি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে অনুমতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সমাবেশকে ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দারাও মাঠে কাজ করবেন।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এর তিন দিনের মাথায় গত শনিবার সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে আবেদন করে দলটি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীবাসীকে নিরাপদে চলাচল করার আমাদের দায়িত্ব। রাজপথকেন্দ্রিক জনসভা হলে জনগণের চলাচল বিঘ্নিত হয়। সেক্ষেত্রে জনসভার অনুমতি দেওয়ার আগে আমাদের কিছু বিচার বিশ্লেষণ রয়েছে। ঝুঁকি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-এসি-ডিসিরা বাস্তবতা পরীক্ষা করে আমাদের কাছে রিপোর্ট এলে এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, অনুমতি দেওয়া হবে কি না।

তবে অনুমতি পেতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিএনপিকে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শর্ত মানলে বিচার-বিশ্লেষণ করে ঝুঁকি এড়িয়ে বিএনপিকে ২৮ অক্টোবর সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, বাংলা কলেজ মাঠ, গোপীবাগ মাঠ না কি নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে সে বিষয়টি স্পষ্ট করেনননি ডিএমপি কমিশনার।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, সমাবেশ রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকার। আমরা জনগণের নিরাপত্তা সব সময় বড় করে দেখি। জনগণের যে নিরাপত্তা, সেটি অক্ষুণ্ণ রেখে আমাদের ফোর্স ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা এবং  যাদের সমাবেশ তাদের বিষয়টিও মাথায় রেখে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।

হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশের চেকপোস্ট স্বাভাবিক কার্যক্রম। কেউ যেন অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে না পারে সেজন্য আমাদের নিয়মিত চেকপোস্ট হয়। যেকোনো সমাবেশেই সিকিউরিটি থ্রেট চিন্তা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা করে থাকি৷ আগামী সমাবেশেও থ্রেট অ্যানালাইসিস করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেকোনো ধরনের নৈরাজ্যকে প্রতিহত করা হবে। এ সময় কোনো রাজনৈতিক দল নিয়ম ভঙ্গ করবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য- আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপি রাজধানীর নয়াপল্টনে, আওয়ামী লীগ গুলিস্তানে ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডেকেছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমমনা দলগুলোও একই দিনে রাজধানীতে সমাবেশে ডেকেছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আমার বাসায় পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক, তাকেও ধরা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

২৮ অক্টোবর সমাবেশের অনুমতি নিয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

সিনিয়র রিপোর্টার: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সমাবেশ ডেকেছে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে আবেদন করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। জনদুর্ভোগ ও নাশকতা এড়াতে রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে। শুধু সন্দেহভাজনদের তল্লাশির আওতায় আনা হবে। জনসাধারণের জানমালের ঝুঁকি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে অনুমতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সমাবেশকে ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দারাও মাঠে কাজ করবেন।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এর তিন দিনের মাথায় গত শনিবার সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে আবেদন করে দলটি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীবাসীকে নিরাপদে চলাচল করার আমাদের দায়িত্ব। রাজপথকেন্দ্রিক জনসভা হলে জনগণের চলাচল বিঘ্নিত হয়। সেক্ষেত্রে জনসভার অনুমতি দেওয়ার আগে আমাদের কিছু বিচার বিশ্লেষণ রয়েছে। ঝুঁকি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-এসি-ডিসিরা বাস্তবতা পরীক্ষা করে আমাদের কাছে রিপোর্ট এলে এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, অনুমতি দেওয়া হবে কি না।

তবে অনুমতি পেতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিএনপিকে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শর্ত মানলে বিচার-বিশ্লেষণ করে ঝুঁকি এড়িয়ে বিএনপিকে ২৮ অক্টোবর সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, বাংলা কলেজ মাঠ, গোপীবাগ মাঠ না কি নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে সে বিষয়টি স্পষ্ট করেনননি ডিএমপি কমিশনার।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, সমাবেশ রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকার। আমরা জনগণের নিরাপত্তা সব সময় বড় করে দেখি। জনগণের যে নিরাপত্তা, সেটি অক্ষুণ্ণ রেখে আমাদের ফোর্স ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা এবং  যাদের সমাবেশ তাদের বিষয়টিও মাথায় রেখে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।

হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশের চেকপোস্ট স্বাভাবিক কার্যক্রম। কেউ যেন অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে না পারে সেজন্য আমাদের নিয়মিত চেকপোস্ট হয়। যেকোনো সমাবেশেই সিকিউরিটি থ্রেট চিন্তা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা করে থাকি৷ আগামী সমাবেশেও থ্রেট অ্যানালাইসিস করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেকোনো ধরনের নৈরাজ্যকে প্রতিহত করা হবে। এ সময় কোনো রাজনৈতিক দল নিয়ম ভঙ্গ করবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য- আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপি রাজধানীর নয়াপল্টনে, আওয়ামী লীগ গুলিস্তানে ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডেকেছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমমনা দলগুলোও একই দিনে রাজধানীতে সমাবেশে ডেকেছে।