ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাধারণ মানুষকে কেন পুড়িয়ে মারে, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর 

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩
  • 35

সিনিয়র রিপোর্টার : ‘সাধারণ মানুষকে কেন পুড়িয়ে মারে’ এমন প্রশ্ন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা জনগণকে হত্যা করে লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে, তাদের মতো অমানবিক আর কোথাও দেখি না। 

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

হরতাল-অবোরধকে কেন্দ্র করে অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ পুড়িয়ে মারা, বাসে আগুন দেওয়া, রাষ্ট্র সম্পদ নষ্ট করা- সেটা কী কারণে করে তা বোধগম্য নয়। 

শিক্ষায় অগ্রগতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌শিক্ষায় ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি করেছি। আমরা বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এতে তাদের বাবা-মায়ের ওপর চাপ কমছে। তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারছে।

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দিতে চাই। বিশেষ করে আমাদের নারীদের। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে আগে মেয়েদের নেওয়া হতো না। আমি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথম সিদ্ধান্ত নিই। মেয়েরা শুধু দেশে না, শান্তিরক্ষা মিশনেও নাম করছে। আমার সঙ্গে সেক্রেটারি জেনারেলের কথা হয়েছে, তিনি আমাদের নারী অফিসার বেশি চান। 

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

সুইস ব্যাংক থেকে নজিরবিহীন গতিতে টাকা তুলছে বাংলাদেশিরা

সাধারণ মানুষকে কেন পুড়িয়ে মারে, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর 

আপডেট সময় ০৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

সিনিয়র রিপোর্টার : ‘সাধারণ মানুষকে কেন পুড়িয়ে মারে’ এমন প্রশ্ন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা জনগণকে হত্যা করে লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে, তাদের মতো অমানবিক আর কোথাও দেখি না। 

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

হরতাল-অবোরধকে কেন্দ্র করে অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ পুড়িয়ে মারা, বাসে আগুন দেওয়া, রাষ্ট্র সম্পদ নষ্ট করা- সেটা কী কারণে করে তা বোধগম্য নয়। 

শিক্ষায় অগ্রগতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌শিক্ষায় ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি করেছি। আমরা বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এতে তাদের বাবা-মায়ের ওপর চাপ কমছে। তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারছে।

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দিতে চাই। বিশেষ করে আমাদের নারীদের। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে আগে মেয়েদের নেওয়া হতো না। আমি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথম সিদ্ধান্ত নিই। মেয়েরা শুধু দেশে না, শান্তিরক্ষা মিশনেও নাম করছে। আমার সঙ্গে সেক্রেটারি জেনারেলের কথা হয়েছে, তিনি আমাদের নারী অফিসার বেশি চান।