ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন  : কারও তাবেদারি করার জন্য ক্ষমতায় বসিনি

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩
  • 52

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোন বড় দেশ বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে দিক, আমার কাছে বাংলাদেশের চেয়ে বড় আর কেউ না৷ দেশের জন্য কাজ করি, কারও তাবেদারি করার জন্য ক্ষমতায় বসিনি৷ আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য রাজনৈতিকভাবে না পারলেও এখন অর্থনৈতিকভাবে অপচেষ্টা করে যাচ্ছে বিদেশি কিছু কিছু মোড়ল৷ দুমুখো কিছু মোড়ল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে৷ 

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মানেই শান্তি ও সমৃদ্ধি৷ নিশ্চয়ই দেশবাসী এসব বাস্তবতা মাথায় রেখেই ভোট দেবেন৷ বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশকে খুবলে খাবে, নিজেদের ভাগ্য গড়বে৷  তিনি বলেন, সন্ত্রাসী দল বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে হবে৷ তবে নিজেরা আইন হাতে তুলে নেবেন না৷ জনগণ ধরা শুরু করলে, ওই মুষ্টিমেয়রা ঠাঁই পাবে না৷ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো আস্থা-বিশ্বাস বিএনপির নেই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা কি একটাও নেতা দেশে পেল না, যাকে তাদের প্রধান বানাবে৷ 

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন স্বচ্ছ করতে যা করা দরকার ছিল, সবই করেছে সরকার। ভোটের ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বিএনপি, আওয়ামী লীগ তা সংস্কার করেছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে যারা প্রশ্ন তোলে, সামরিক শাসকদের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সময় তারা কোথায় ছিল? মাটি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারও নেই। দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়।

বিএনপির মিটিং-মিছিলে বাধা নেই, তা হলে অগ্নিসন্ত্রাস কেন? প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছিল। যখনই সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে, তখনই জবাবদিহিতার মধ্যে পড়েছে তারা। তাদের প্রতি জনগণের আস্থা উঠে গেছে। 

সরকারপ্রধান বলেন, সহিংসতা করে সরকারের পতন ঘটাতে চায় বিএনপি। রাজনৈতিকভাবে না পেরে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছে তারা। আমরা দেশের জন্য কাজ করি, কারও তাবেদারি করার জন্য নয়। যতদিন ক্ষমতায় থাকব জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাব। 

শেখ হাসিনা বলেন, গত নির্বাচনের সময় অপপ্রচার চালিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু অনিয়মের কোনো প্রমাণ তারা দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সংবিধান মেনে চলে। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে। সেই সঙ্গে মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকবে। দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা নৌকায় ভোট দেন। আবার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনেন। এর সুফল ভোগ করেন। সবার প্রতি এটা আমার উদাত্ত আহ্বান।  

শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ৩০০ সংসদীয় আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। প্রথম দিনের বৈঠকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।

সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য যারা : আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন সভাপতি হিসেবে রয়েছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, কাজী জাফর উল্লাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, ওবায়দুল কাদের, মো. রশিদুল আলম ও দীপু মনি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন  : কারও তাবেদারি করার জন্য ক্ষমতায় বসিনি

আপডেট সময় ০২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোন বড় দেশ বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে দিক, আমার কাছে বাংলাদেশের চেয়ে বড় আর কেউ না৷ দেশের জন্য কাজ করি, কারও তাবেদারি করার জন্য ক্ষমতায় বসিনি৷ আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য রাজনৈতিকভাবে না পারলেও এখন অর্থনৈতিকভাবে অপচেষ্টা করে যাচ্ছে বিদেশি কিছু কিছু মোড়ল৷ দুমুখো কিছু মোড়ল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে৷ 

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মানেই শান্তি ও সমৃদ্ধি৷ নিশ্চয়ই দেশবাসী এসব বাস্তবতা মাথায় রেখেই ভোট দেবেন৷ বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশকে খুবলে খাবে, নিজেদের ভাগ্য গড়বে৷  তিনি বলেন, সন্ত্রাসী দল বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে হবে৷ তবে নিজেরা আইন হাতে তুলে নেবেন না৷ জনগণ ধরা শুরু করলে, ওই মুষ্টিমেয়রা ঠাঁই পাবে না৷ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো আস্থা-বিশ্বাস বিএনপির নেই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা কি একটাও নেতা দেশে পেল না, যাকে তাদের প্রধান বানাবে৷ 

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন স্বচ্ছ করতে যা করা দরকার ছিল, সবই করেছে সরকার। ভোটের ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বিএনপি, আওয়ামী লীগ তা সংস্কার করেছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে যারা প্রশ্ন তোলে, সামরিক শাসকদের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সময় তারা কোথায় ছিল? মাটি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারও নেই। দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়।

বিএনপির মিটিং-মিছিলে বাধা নেই, তা হলে অগ্নিসন্ত্রাস কেন? প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছিল। যখনই সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে, তখনই জবাবদিহিতার মধ্যে পড়েছে তারা। তাদের প্রতি জনগণের আস্থা উঠে গেছে। 

সরকারপ্রধান বলেন, সহিংসতা করে সরকারের পতন ঘটাতে চায় বিএনপি। রাজনৈতিকভাবে না পেরে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছে তারা। আমরা দেশের জন্য কাজ করি, কারও তাবেদারি করার জন্য নয়। যতদিন ক্ষমতায় থাকব জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাব। 

শেখ হাসিনা বলেন, গত নির্বাচনের সময় অপপ্রচার চালিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু অনিয়মের কোনো প্রমাণ তারা দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সংবিধান মেনে চলে। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে। সেই সঙ্গে মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকবে। দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা নৌকায় ভোট দেন। আবার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনেন। এর সুফল ভোগ করেন। সবার প্রতি এটা আমার উদাত্ত আহ্বান।  

শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ৩০০ সংসদীয় আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। প্রথম দিনের বৈঠকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।

সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য যারা : আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন সভাপতি হিসেবে রয়েছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, কাজী জাফর উল্লাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, ওবায়দুল কাদের, মো. রশিদুল আলম ও দীপু মনি।