ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি : মার্কিনিদের চেয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার বেশি রক্ষা করে

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 20

অনলাইন ডেস্ক : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, মার্কিনিরা যেন আর মানবাধিকার না শেখায়। প্রয়োজনে বাংলাদেশ তাদের মানবাধিকার শেখাবে। আমরা মানবাধিকারে সচেতন হয়েছি বলেইতো মার্কিনিদের শিক্ষা দিতে চাই। কারণ তাদের থেকে বেশি মানবাধিকার বাংলাদেশ রক্ষা করে থাকে। বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

গত রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে মানবাধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিরাজমান বিশ্ব মানবতা পরিস্থিতি আমাদের আহত করে। গাজায় ইসরাইলের বর্বর হামলা চলছে। হাজার হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। আমরা নীরব দর্শক হয়ে দেখছি। মানবাধিকার এখন রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যারা মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা, তারা কী বললো? গাজায় প্রতিদিন হত্যা চলছে। সারেন্ডারের পর হত্যা জেনেভা কনভেনশনের লঙ্ঘন। যখন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলো জাতিসংঘ তখন মানবতার ফেরিওয়ালা যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দিলো।

বিশ্বের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব দেশ, মানবাধিকার সংস্থা ও মানবাধিকার কর্মীরা প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। সেই সঙ্গে দেশের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটবে সেখানেই তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপস্থিতি নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন : ‘শুভ নববর্ষ’ ১৪৩১ : নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে

রাষ্ট্রপতি : মার্কিনিদের চেয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার বেশি রক্ষা করে

আপডেট সময় ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, মার্কিনিরা যেন আর মানবাধিকার না শেখায়। প্রয়োজনে বাংলাদেশ তাদের মানবাধিকার শেখাবে। আমরা মানবাধিকারে সচেতন হয়েছি বলেইতো মার্কিনিদের শিক্ষা দিতে চাই। কারণ তাদের থেকে বেশি মানবাধিকার বাংলাদেশ রক্ষা করে থাকে। বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

গত রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে মানবাধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিরাজমান বিশ্ব মানবতা পরিস্থিতি আমাদের আহত করে। গাজায় ইসরাইলের বর্বর হামলা চলছে। হাজার হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। আমরা নীরব দর্শক হয়ে দেখছি। মানবাধিকার এখন রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যারা মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা, তারা কী বললো? গাজায় প্রতিদিন হত্যা চলছে। সারেন্ডারের পর হত্যা জেনেভা কনভেনশনের লঙ্ঘন। যখন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলো জাতিসংঘ তখন মানবতার ফেরিওয়ালা যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দিলো।

বিশ্বের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব দেশ, মানবাধিকার সংস্থা ও মানবাধিকার কর্মীরা প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। সেই সঙ্গে দেশের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটবে সেখানেই তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপস্থিতি নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।