ঢাকা , সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা চেয়ে সিইসির কাছে ১৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 52

অনলাইন ডেস্ক :  নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি ও নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে আবেদন করেছেন কক্সবাজার-১ আসনে থাকা দুই উপজেলা চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ১৭ জনপ্রতিনিধি। তারা সবাই এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমের পক্ষের লোক হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সিইসির কার্যালয়ে আবেদন পৌঁছে দেন চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম ও পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউপির চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন। জনপ্রতিনিধিদের সই করা আবেদনে জানানো হয়, কক্সবাজার-১ আসনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রার্থীর চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষে কাজ করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় তারা সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন।

এতে বলা হয়, সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষাবলম্বন না করলে অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, অফিস পোড়ানোসহ বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে বা তুলে নিয়ে প্রশাসনিক হয়রানি-নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ধরনের চাপ প্রয়োগ ও অপতৎপরতা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবেদনে সই করা ১৭ জনপ্রতিনিধির মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পাঁচজন, নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাতজন ও জামায়াত সমর্থিত দুজন ইউপি চেয়ারম্যান আছেন। এছাড়া দুজন জেলা পরিষদ সদস্য ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আছেন। জেলা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য তানিয়া আফরিন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলমের মেয়ে।

আবেদনে সই করা কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শওকত গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলমের কর্মী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতে, আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। একটি মহল হুমকি দিচ্ছে যে, কল্যাণ পার্টির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে। নইলে মামলায় জড়িয়ে বা তুলে নিয়ে হয়রানি করা হবে। তাই জীবনের নিরাপত্তায় শঙ্কিত হয়ে আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেছি।

তবে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ গত ২৩ ডিসেম্বর কল্যাণ পার্টির প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষে নির্বাচনে নামার ঘোষণা দেয়। পরদিন থেকেই ইবরাহিমকে নিয়ে চকরিয়া-পেকুয়াতে নির্বাচনী প্রচারণায় নামেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ শীর্ষ নেতারা। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগ কল্যাণ পার্টির প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষে নেমেছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপত্তা চেয়ে সিইসির কাছে ১৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন

আপডেট সময় ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক :  নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি ও নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে আবেদন করেছেন কক্সবাজার-১ আসনে থাকা দুই উপজেলা চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ১৭ জনপ্রতিনিধি। তারা সবাই এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমের পক্ষের লোক হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সিইসির কার্যালয়ে আবেদন পৌঁছে দেন চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম ও পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউপির চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন। জনপ্রতিনিধিদের সই করা আবেদনে জানানো হয়, কক্সবাজার-১ আসনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রার্থীর চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষে কাজ করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় তারা সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন।

এতে বলা হয়, সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষাবলম্বন না করলে অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, অফিস পোড়ানোসহ বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে বা তুলে নিয়ে প্রশাসনিক হয়রানি-নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ধরনের চাপ প্রয়োগ ও অপতৎপরতা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবেদনে সই করা ১৭ জনপ্রতিনিধির মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পাঁচজন, নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাতজন ও জামায়াত সমর্থিত দুজন ইউপি চেয়ারম্যান আছেন। এছাড়া দুজন জেলা পরিষদ সদস্য ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আছেন। জেলা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য তানিয়া আফরিন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলমের মেয়ে।

আবেদনে সই করা কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শওকত গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলমের কর্মী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতে, আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। একটি মহল হুমকি দিচ্ছে যে, কল্যাণ পার্টির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে। নইলে মামলায় জড়িয়ে বা তুলে নিয়ে হয়রানি করা হবে। তাই জীবনের নিরাপত্তায় শঙ্কিত হয়ে আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেছি।

তবে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ গত ২৩ ডিসেম্বর কল্যাণ পার্টির প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষে নির্বাচনে নামার ঘোষণা দেয়। পরদিন থেকেই ইবরাহিমকে নিয়ে চকরিয়া-পেকুয়াতে নির্বাচনী প্রচারণায় নামেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ শীর্ষ নেতারা। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগ কল্যাণ পার্টির প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের পক্ষে নেমেছে।