ঢাকা , সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ড. ইউনূসের বিষয়ে কিছুই করার নেই বললেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪
  • 29

সিনিয়র রিপোর্টার : নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে তার কিছু করার নেই। ড. ইউনূস নিজেদের কর্মীদের বঞ্চিত করেছেন। তার কোম্পানির শ্রমিকরাই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাই তাদের কাছেই তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। 

সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে গণভবনে নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময়কালে পর্যবেক্ষণে  আসা বিদেশি  সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি  এসব কথা বলেন। 

বিদেশি ওই সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, তার এই বিজয় উদ্‌যাপনের সময় তিনি ড. ইউনূসকে ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করবেন কি-না? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেখুন… ইউনূসের বিষয়টি শ্রম আদালতের বিষয়। তিনি (ইউনূস) শ্রম আইন  লঙ্ঘন করেছেন। তিনি শ্রমিকদের ঠকিয়েছেন। এখানে আমার কোনো কিছুই করার নেই। তার ক্ষমার বিষয়ের প্রশ্ন আমার কাছে আসে না।

নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় জনগণের। দেশের গণতন্ত্রের জন্য এই নির্বাচন যুগান্তরকারী ঘটনা। যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি মানুষও হতদরিদ্র থাকবে না।’

গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দল থাকাটা জরুরি কি না, আরেক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমিও বিরোধী দলে ছিলাম দীর্ঘদিন। সে সময় আমরা দলকে সংগঠিত করেছি। এক্ষেত্রে বিরোধী দলকে তাদের নিজেদের সংগঠিত করতে হবে। আমাকে বিরোধী দল গঠন করতে বলতে পারেন না। অবশ্য আমি সেটি চাইলেও পারি। কিন্তু তখন সেটি আর বিরোধী দল থাকবে না।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

র‌্যাবকে যেসব নির্দেশনা দিলেন নতুন ডিজি

ড. ইউনূসের বিষয়ে কিছুই করার নেই বললেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪

সিনিয়র রিপোর্টার : নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে তার কিছু করার নেই। ড. ইউনূস নিজেদের কর্মীদের বঞ্চিত করেছেন। তার কোম্পানির শ্রমিকরাই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাই তাদের কাছেই তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। 

সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে গণভবনে নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময়কালে পর্যবেক্ষণে  আসা বিদেশি  সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি  এসব কথা বলেন। 

বিদেশি ওই সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, তার এই বিজয় উদ্‌যাপনের সময় তিনি ড. ইউনূসকে ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করবেন কি-না? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেখুন… ইউনূসের বিষয়টি শ্রম আদালতের বিষয়। তিনি (ইউনূস) শ্রম আইন  লঙ্ঘন করেছেন। তিনি শ্রমিকদের ঠকিয়েছেন। এখানে আমার কোনো কিছুই করার নেই। তার ক্ষমার বিষয়ের প্রশ্ন আমার কাছে আসে না।

নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় জনগণের। দেশের গণতন্ত্রের জন্য এই নির্বাচন যুগান্তরকারী ঘটনা। যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি মানুষও হতদরিদ্র থাকবে না।’

গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দল থাকাটা জরুরি কি না, আরেক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমিও বিরোধী দলে ছিলাম দীর্ঘদিন। সে সময় আমরা দলকে সংগঠিত করেছি। এক্ষেত্রে বিরোধী দলকে তাদের নিজেদের সংগঠিত করতে হবে। আমাকে বিরোধী দল গঠন করতে বলতে পারেন না। অবশ্য আমি সেটি চাইলেও পারি। কিন্তু তখন সেটি আর বিরোধী দল থাকবে না।