ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিদেশি চাপ আছে, আমরা চাপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা রাখি : ওবায়দুল কাদের

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • 16

সিনিয়র রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিদেশ থেকে চাপ আছে। দেশে তো আছেই। আমরা সব চাপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা রাখি, সাহস রাখি, সামর্থ্য রাখি। আমাদের শক্তি জনগণ। জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো চাপই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়।

নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অফিসের প্রথম দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরাদের শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ। মাটি ও মানুষের সঙ্গে যে সরকারের, যে দলের সম্পর্ক, সেই দল কোনো বিদেশি চাপ বা দেশি চাপের কাছে নতি স্বীকার করে না। আমরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি। পথে পথে বাধা, পদে পদে বাধা- এটা আমরা অতিক্রম করেছি। আমরা অতিক্রম করেছি নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি। এখন নির্বাচন তো হয়েই গেছে। অনেকে ভেবেছে এই নির্বাচন আমরা করতে পারবো না। তাদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন হয়ে গেছে। আমাদের স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়িত করেছি। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ আসবে আমরা জানি।

আজকাল আমাদের গ্রামীণ বাজার পর্যন্ত ভরপুর খাদ্য সামগ্রী, ফলমূল সব আছে। সীমান্তেও একই অবস্থা। কিছু নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। মানুষ যাতে সহজে দ্রব্যমূল্য কিনতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা জোর দেব।

 ‘নতুন সরকারের সামনে কি চ্যালেঞ্জ রয়েছে’ এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের জীবনে রাজনীতি বলুন, অর্থনীতি বলুন সবক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ আছে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সেই চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন। আমি মনে করি কোনো চ্যালেঞ্জই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়। আমরা যখন পদ্মাসেতুর কাজ শুরু করেছিলাম, তখন কেউ ভাবেনি এটা শেষ করা সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাংকও পাশে ছিল না। কিন্তু আমরা করতে পেরেছি। মেট্রোরেল দিয়ে যে এ শহর সমৃদ্ধ হবে এ কথাও কেউ ভাবেনি। সেটাও সরকার উপহার দিয়েছে। আমাদের অনেক কাজ আছে সামনে। অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। এখনো আমরা সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা আনতে পারিনি।’

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একযোগে একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এটা করতে পারলে রোড সেফটি নিশ্চিত হবে। আজ অনেক রাস্তা হচ্ছে। রাস্তাগুলো স্মার্ট করতে হবে। এ বিষয়গুলোও আমরা দেখবো। অনেক সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে আবারো আশ্রয় নিল ২৪ জন এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৮৫ জন সীমান্তরক্ষী বিজিপি সদস্য অবস্থান করছে

বিদেশি চাপ আছে, আমরা চাপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা রাখি : ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

সিনিয়র রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিদেশ থেকে চাপ আছে। দেশে তো আছেই। আমরা সব চাপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা রাখি, সাহস রাখি, সামর্থ্য রাখি। আমাদের শক্তি জনগণ। জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো চাপই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়।

নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অফিসের প্রথম দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরাদের শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ। মাটি ও মানুষের সঙ্গে যে সরকারের, যে দলের সম্পর্ক, সেই দল কোনো বিদেশি চাপ বা দেশি চাপের কাছে নতি স্বীকার করে না। আমরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি। পথে পথে বাধা, পদে পদে বাধা- এটা আমরা অতিক্রম করেছি। আমরা অতিক্রম করেছি নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি। এখন নির্বাচন তো হয়েই গেছে। অনেকে ভেবেছে এই নির্বাচন আমরা করতে পারবো না। তাদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন হয়ে গেছে। আমাদের স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়িত করেছি। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ আসবে আমরা জানি।

আজকাল আমাদের গ্রামীণ বাজার পর্যন্ত ভরপুর খাদ্য সামগ্রী, ফলমূল সব আছে। সীমান্তেও একই অবস্থা। কিছু নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। মানুষ যাতে সহজে দ্রব্যমূল্য কিনতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা জোর দেব।

 ‘নতুন সরকারের সামনে কি চ্যালেঞ্জ রয়েছে’ এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের জীবনে রাজনীতি বলুন, অর্থনীতি বলুন সবক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ আছে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সেই চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন। আমি মনে করি কোনো চ্যালেঞ্জই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়। আমরা যখন পদ্মাসেতুর কাজ শুরু করেছিলাম, তখন কেউ ভাবেনি এটা শেষ করা সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাংকও পাশে ছিল না। কিন্তু আমরা করতে পেরেছি। মেট্রোরেল দিয়ে যে এ শহর সমৃদ্ধ হবে এ কথাও কেউ ভাবেনি। সেটাও সরকার উপহার দিয়েছে। আমাদের অনেক কাজ আছে সামনে। অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। এখনো আমরা সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা আনতে পারিনি।’

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একযোগে একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এটা করতে পারলে রোড সেফটি নিশ্চিত হবে। আজ অনেক রাস্তা হচ্ছে। রাস্তাগুলো স্মার্ট করতে হবে। এ বিষয়গুলোও আমরা দেখবো। অনেক সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে।