ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপি-জামায়াত যদি সন্ত্রাস করতে চান, তাহলে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে : আইনমন্ত্রী

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 20

অনলাইন ডেস্ক : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত যদি সন্ত্রাস করতে চান, তারা যদি বাংলাদেশের অর্জন নষ্ট করতে চান তাহলে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা কোনো সন্ত্রাস সহ্য করব না। আমরা উন্নয়নের পথে হাঁটছি আমাদেরকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়া যাবে না। যারা পেছন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে আইনি মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।  

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বনগজ ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। আখাউড়া উপজেলার বড়বাজার-ধরখার সড়কের বনগজ এলাকায় নবনির্মিত একটি সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এ জনসভার আয়োজন করে।

আনিসুল হক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতারা হত্যা করে রাজনীতি করতেন। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের চিনে ফেলেছে। আপনারা আর সেই খেলা খেলতে পারবেন না। এখন বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবে। বাংলাদেশের মানুষ ৭ জানুয়ারি ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছে। এই জনপ্রতিনিধিরাই বাংলাদেশের মানুষের সেবা করবে। সেটাই ম্যান্ডেট এবং সেটাই হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কাজ হচ্ছে বাংদেশের মানুষ যেন কষ্টে থাকে সেই ব্যবস্থা করা। ২০১৪ সালে আমরা যখন নির্বাচন করেছি, তখন তারা (বিএনপি-জামায়াত) নির্বাচন বয়কটের নামে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে। নিরীহ মানুষকে বাসে পুড়িয়ে মেরেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় বিএনপি-জামায়াত মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। মানিলন্ডারিং করে টাকা বিদেশে নিয়ে গেছে। আর এখানে একেকটা আসনে ৩-৪ জন করে মনোনয়ন দিয়েছে। তারপর নির্বাচন করেনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও তারা (বিএনপি-জামায়াত) ষড়যন্ত্র করেছিল। মানুষের কাছে তারা ভোটের জন্য আসে না। তারা মনে করে যে বিদেশে তাদের কিছু মুরুব্বির কাছে কান্নাকাটি করলে তারা তাদেরকে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় বসাতে পারে কিনা।

ধরখার ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শানু মিয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাফিকুল ইসলাম সাফিকের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান নাজিম, আব্দুল মমিন বাবুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেন ভূঁইয়া, ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন নয়ন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন : ‘শুভ নববর্ষ’ ১৪৩১ : নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে

বিএনপি-জামায়াত যদি সন্ত্রাস করতে চান, তাহলে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত যদি সন্ত্রাস করতে চান, তারা যদি বাংলাদেশের অর্জন নষ্ট করতে চান তাহলে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা কোনো সন্ত্রাস সহ্য করব না। আমরা উন্নয়নের পথে হাঁটছি আমাদেরকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়া যাবে না। যারা পেছন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে আইনি মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।  

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বনগজ ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। আখাউড়া উপজেলার বড়বাজার-ধরখার সড়কের বনগজ এলাকায় নবনির্মিত একটি সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এ জনসভার আয়োজন করে।

আনিসুল হক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতারা হত্যা করে রাজনীতি করতেন। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের চিনে ফেলেছে। আপনারা আর সেই খেলা খেলতে পারবেন না। এখন বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবে। বাংলাদেশের মানুষ ৭ জানুয়ারি ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছে। এই জনপ্রতিনিধিরাই বাংলাদেশের মানুষের সেবা করবে। সেটাই ম্যান্ডেট এবং সেটাই হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কাজ হচ্ছে বাংদেশের মানুষ যেন কষ্টে থাকে সেই ব্যবস্থা করা। ২০১৪ সালে আমরা যখন নির্বাচন করেছি, তখন তারা (বিএনপি-জামায়াত) নির্বাচন বয়কটের নামে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে। নিরীহ মানুষকে বাসে পুড়িয়ে মেরেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় বিএনপি-জামায়াত মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। মানিলন্ডারিং করে টাকা বিদেশে নিয়ে গেছে। আর এখানে একেকটা আসনে ৩-৪ জন করে মনোনয়ন দিয়েছে। তারপর নির্বাচন করেনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও তারা (বিএনপি-জামায়াত) ষড়যন্ত্র করেছিল। মানুষের কাছে তারা ভোটের জন্য আসে না। তারা মনে করে যে বিদেশে তাদের কিছু মুরুব্বির কাছে কান্নাকাটি করলে তারা তাদেরকে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় বসাতে পারে কিনা।

ধরখার ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শানু মিয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাফিকুল ইসলাম সাফিকের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান নাজিম, আব্দুল মমিন বাবুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেন ভূঁইয়া, ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন নয়ন।