ঢাকা , সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৪০ হাজারের বেশি কোটা খালি রেখেই শেষ হলো হজ নিবন্ধন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 43

সিনিয়র রিপোর্টার : সৌদি আরবের দেওয়া ৪০ হাজারের বেশি কোটা খালি রেখেই শেষ হয়েছে এবারের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম। চতুর্থ দফা সময় বাড়িয়েও পূরণ হয়নি হজের নির্ধারিত কোটা।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ১৫৫ হজযাত্রী।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, নিবন্ধন শেষে এখনও কোটা খালি রয়েছে ৪৪ হাজার ৭৮টি। এ বছর বাংলাদেশের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮টি কোটা নির্ধারণ করে দেয় সৌদি আরব। এর মধ্যে সরকারিভাবে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ২৬০ জন। বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন। সবমিলিয়ে মোট নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ১৫৫ জন। বাকি ৪৪ হাজার ৪৩টি কোটা ফেরত যাবে।

তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, শেষদিনে অনেকে নিবন্ধন করেছেন কিন্তু তাদের পেমেন্ট পেন্ডিং (অপেক্ষমাণ) রয়েছে। এ সংখ্যা যোগ করলে আরও হাজার দুয়েক কমবে। তারপরও ৪০ হাজারের মতো কোটা সৌদি আরবকে ফেরত দেওয়া হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ অনুবিভাগ) মতিউল ইসলাম বলেন, হজের কোটা ফেরত দেওয়া ছাড়া আর উপায় থাকল না। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চূড়ান্ত করে বাকি কোটা সৌদি সরকারকে ফেরত দেওয়া হবে। চাঁদ দেখা-সাপেক্ষে চলতি বছরের ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

প্রসঙ্গত- ২০২৩ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ৬ লাখ ৮৩ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা নির্ধারণ হয়। অথচ গতবারের তুলনায় এবার প্যাকেজের দাম ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কমানো হয়েছে। এরপরও হজযাত্রীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে খরচ মেটাতে। এ বছর হজের নিবন্ধন শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর, যা ১০ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রত্যাশিত সাড়া না মেলায় সময় বাড়ানো হয় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে সেই সময় আরও দুই দফায় ১৮ জানুয়ারি এবং পরে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

৪০ হাজারের বেশি কোটা খালি রেখেই শেষ হলো হজ নিবন্ধন

আপডেট সময় ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সিনিয়র রিপোর্টার : সৌদি আরবের দেওয়া ৪০ হাজারের বেশি কোটা খালি রেখেই শেষ হয়েছে এবারের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম। চতুর্থ দফা সময় বাড়িয়েও পূরণ হয়নি হজের নির্ধারিত কোটা।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ১৫৫ হজযাত্রী।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, নিবন্ধন শেষে এখনও কোটা খালি রয়েছে ৪৪ হাজার ৭৮টি। এ বছর বাংলাদেশের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮টি কোটা নির্ধারণ করে দেয় সৌদি আরব। এর মধ্যে সরকারিভাবে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন চার হাজার ২৬০ জন। বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন। সবমিলিয়ে মোট নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ১৫৫ জন। বাকি ৪৪ হাজার ৪৩টি কোটা ফেরত যাবে।

তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, শেষদিনে অনেকে নিবন্ধন করেছেন কিন্তু তাদের পেমেন্ট পেন্ডিং (অপেক্ষমাণ) রয়েছে। এ সংখ্যা যোগ করলে আরও হাজার দুয়েক কমবে। তারপরও ৪০ হাজারের মতো কোটা সৌদি আরবকে ফেরত দেওয়া হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ অনুবিভাগ) মতিউল ইসলাম বলেন, হজের কোটা ফেরত দেওয়া ছাড়া আর উপায় থাকল না। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চূড়ান্ত করে বাকি কোটা সৌদি সরকারকে ফেরত দেওয়া হবে। চাঁদ দেখা-সাপেক্ষে চলতি বছরের ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

প্রসঙ্গত- ২০২৩ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ৬ লাখ ৮৩ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা নির্ধারণ হয়। অথচ গতবারের তুলনায় এবার প্যাকেজের দাম ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কমানো হয়েছে। এরপরও হজযাত্রীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে খরচ মেটাতে। এ বছর হজের নিবন্ধন শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর, যা ১০ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রত্যাশিত সাড়া না মেলায় সময় বাড়ানো হয় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে সেই সময় আরও দুই দফায় ১৮ জানুয়ারি এবং পরে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।